নিউজবাংলা প্রতিবেদন : আজ থেকে শুরু হয়েছে অফলাইনে যুবসাথী প্রকল্পের ফর্ম পূরণ। এই খবরের সঙ্গে যুবসাথী ফর্ম-এর নমুনা কপি দেওয়া হল আপনাদের সুবিধার জন্য। কিভাবে ফর্ম পূরণ করবেন তার বিস্তারিত গাইড এই প্রতিবেদনে দেওয়া রইল।ফর্ম পূরণের …
নিউজবাংলা প্রতিবেদন : আজ থেকে শুরু হয়েছে অফলাইনে যুবসাথী প্রকল্পের ফর্ম পূরণ। এই খবরের সঙ্গে যুবসাথী ফর্ম-এর নমুনা কপি দেওয়া হল আপনাদের সুবিধার জন্য। কিভাবে ফর্ম পূরণ করবেন তার বিস্তারিত গাইড এই প্রতিবেদনে দেওয়া রইল।
ফর্ম পূরণের আগে আপনার বয়স কত তা নীচে দেওয়া বয়স ক্যালকুলেটারে হিসেব কষে দেখে নিন।
নীচে দেওয়া বয়সের ক্যালকুলেটারে আপনার জন্ম-তারিখ লিখুন, (Date of Birth-এর পাশে ক্লিক করে জন্ম বছর, মাস ও দিন সিলেক্ট করুন) এবং শেষে Calculate Age বাটনে ক্লিক করে নিজের বয়সের হিসেব কষে দেখে নিন ।
Age Calculator
Enter your birthdate:
Your age is:
যুবসাথী ফর্ম পূরণ করা অত্যন্ত সহজ বিষয়। এখানে কোনও জটিল তথ্য চাওয়া হচ্ছে না। তাই ধাপে ধাপে দেখে নিন কোন কোন ঘরগুলি পূরণ করতে হবে আপনাকে :
এবার আসি ফর্ম পুরণের বিষয়ে : (পেজ -১- এর ছবির নীচেই ফর্ম পূরণ করার গাইড দেওয়া রইল)
২। ফর্মের পরের ঘরে রয়েছে (দুয়ারে সরকার রেজিষ্ট্রেশান নম্বর) – এটি অফিস থেকেই ভরে দেওয়া হবে।
৩। আপনার নাম (সম্পূর্ণ নাম বড়হাতে লিখবেন)। মনে রাখবেন এই নামের সঙ্গে যেন আধার, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট, মার্কশিট এবং সর্বোপরি আপনার ব্যাঙ্কের নামের মিল থাকে।
৪। আধার নম্বর – আপনার ১২ সংখ্যার আধার নম্বর লিখবেন।
৫। উপভোক্তার নাম (মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষা অনুযায়ী)- এবার আপনার মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষার অ্যাডমিটের উল্লেখ থাকা নিজের নাম পুনরায় লিখবেন।
৬। মোবাইল নম্বর – মনে রাখবেন, যে মোবাইল নম্বর আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে সেই মোবাইল নম্বরটিই লিখতে হবে।
৭। ইমেল আইডি – যদি থাকে তাহলে ইমেল আইডি লিখে দেবেন
৮। জন্ম তারিখ – এই ঘরে আপনার প্রকৃত জন্ম তারিখ লিখবেন (আধার/ মাধ্যমিকের অ্যাডমিট) সবেতেই যেন একই তারিখ থাকে দেখে নেবেন,
৯। আপনার বয়স – এই ঘরে ১লা এপ্রিল ২০২৬ অনুযায়ী আপনার বয়স কত হচ্ছে শুধুমাত্র বছরের হিসেব লিখতে হবে (ওপরে বয়সের ক্যালকুলেটারে দেখে নিন) – যেমন ধরুণ ২২ বছর বা ৪০ বছর এই ভাবে।
১০। পরের তিনটি ঘরে পরপর - বাবার নাম । মায়ের নাম। (স্পাউস) অর্থাৎ স্বামী বা স্ত্রীর নাম লিখতে হবে
১১। কাস্ট সার্টিফিকেট থাকলে (এসসি/ এসটি/ ওবিসি) সেই সার্টিফিকেটের জেরক্স কপি জমা দেবেন এবং তার নম্বর উল্লেখ করতে হবে।
১২। বিবাহিত/ অবিবাহিত (শুধুমাত্র সঠিক ঘরে টিক চিহ্ন দিন) – আপনি বিবাহিত নাকি অবিবাহিত বা বিধবা অথবা বিপত্নিক (ডিভোর্সি) তাও লিখতে হবে। এখানে বিবাহিত লিখলে তবেই ওপরের (স্পাউস) ঘরে তথ্য দেবেন। সিঙ্গেল হলে ওই ঘরটি এড়িয়ে যাবেন,।
১৩। এবার আসছে আপনার ঠিকানা লেখার পালা – বাড়ির নম্বর – না থাকলে লেখার দরকার নেই
- গ্রাম – এখানে গ্রামের নাম লিখুন । ডাকঘর – এখানে পোষ্ট অফিসের নাম লিখুন।
- গ্রাম পঞ্চায়েত / ওয়ার্ড নম্বর – আপনি যে গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা সেই পঞ্চায়েত বা পুরসভার ওয়ার্ড নম্বর লিখবেন।
- ব্লক/ পুরসভা/ কর্পোরেশান – আপনি যে ব্লক বা পুরসভা বা কর্পোরেশানের বাসিন্দা তা উল্লেখ করুন।
- থানা – আপনার থানার নাম লিখুন, জেলা – জেলার নাম। পিনকোড- আপনার পিন কোড দিন। রাজ্য – সব শেষে রাজ্যের নাম লিখুন
দ্বিতীয় পেজ : (পেজ -২- এর ছবির নীচেই ফর্ম পূরণ করার গাইড দেওয়া রইল)
১৪। মাধ্যমিক বা সমতুল পরীক্ষার রোল / নম্বর/ বছর লিখুন এবং পরের ঘরে বোর্ড এর নামের ঘরে টিক চিহ্ন দিন।
১৫। শিক্ষাগত যোগ্যতা – এই ঘরে আপনার সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা উল্লেখ করুন
১৬। বর্তমান পেশা – এই মুহূর্তে আপনি কোন কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকলে তা উল্লেখ করুন।
১৭। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট – এই ঘরটিকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে পূরণ করবেন। প্রথমে ব্যাঙ্কের নাম লিখুন। পরের ঘরে ব্যাঙ্কের শাখার নাম লিখুন। এবার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নম্বর লিখুন। এবং সব শেষে ব্যাঙ্কের আইএফএসসি নম্বরটি লিখুন (মনে রাখবেন পাশবইটি যেন শুধুমাত্র আপনার নামেই হয়। জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করবেন না)
১৮। আপনি কোনও সরকারী সাহায্য পান কিনা হ্যাঁ বা না ঘরে টিক দিন। যদি হ্যাঁ হয় তাহলে কোন প্রকল্প থেকে সাহায্য পান তা উল্লেখ করুন। (মনে রাখবেন আপনি যদি লক্ষ্মীর ভান্ডার/ কৃষক বন্ধু/ বা নিয়মিত কোনও সরকারী ভাতা পেয়ে থাকেন তাহলে আপনি যুবসাথী প্রকল্পে কোনও টাকা পাবেন না)
১৯। সব শেষে আপনি কোন কোন কাগজ জমা করছেন সেই সোজা পাশের বক্সে ক্লিক করুন :
- মাধ্যমিক বা সমতুল পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড
- মাধ্যমিক বা সমতুল পরীক্ষার মার্কশিট (পাশ করেছেন কিনা যাচাই করার জন্য)
- আধার কার্ড এর জেরক্স কপি
- ভোটার কার্ড এর জেরক্স কপি (পশ্চিম বঙ্গের বাসিন্দা কিনা প্রমাণের জন্য ভোটার কার্ড এর জেরক্স অবশ্যই দেবেন)
- ব্যাঙ্ক পাশবইয়ের প্রথম পাতার জেরক্স (এখানে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর স্পষ্ট লেখা রয়েছে কিনা ভাল করে দেখে নেবেন। অস্পষ্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর থাকলে সমস্যায় পড়তে হবে)
- শেষ ঘরে আপনি এসসি/ এসটি/ ওবিসি সার্টিফিকেট জমা করলে সেই ঘরে টিক করুন।
- সব শেষে আপনার স্বাক্ষরের জায়গা রয়েছে।
মনে রাখবেন, এই ফর্ম জমা দেওয়ার পর অবশ্যই Acknowledgement অংশটি ফেরৎ নিয়ে নেবেন এবং বাড়িতে যত্ন করে রেখে দেবেন। কোনও কারনে পরবর্তী কালে তা দরকার পড়তে পারে।
কি কি করবেন না :
- ফর্ম পূরণ করার সময় কোনও ভুয়ো তথ্য দেবেন না
- নাম, আধার নম্বর, ফোন নম্বর, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর লেখার সময় অতিরিক্ত সতর্ক থাকুন। এখানে কোনও ভুল হলেই সমস্যায় পড়বেন।
- ২১ বছরের কম বা ৪০ বছরের বেশী বয়স হলে ফর্ম পূরণ করবেন না।
- আপনি যদি সরকারী বা স্থায়ী চাকুরীজীবি হন তাহলে ফর্ম পূরণ করে কাজে আসবে না।
- প্রার্থীকে অবশ্যই কর্মহীন (Unemployed) হতে হবে।
- মাধ্যমিক পাশ হতেই হবে। ফেল হলে ভাতা থেকে বঞ্চিত হবেন।
- পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হতেই হবে। ভিন রাজ্যের বাসিন্দা হলে এই সুবিধে পাবেন না
- কোনও সামাজিক স্কিমের টাকা নিয়মিত পেতে থাকলে (শিক্ষা সংক্রান্ত স্কলারশিপ/ শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত কোনও আর্থিক সাহায্য পেলেও আবেদন করা যাবে) এই প্রকল্পে আবেদন গ্রাহ্য হবে না।
- টাকা কেবলমাত্র আধার লিংক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেই যাবে। তাই এখনই আপনার ব্যাঙ্কে ডিবিটি (ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার লিংক) রয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।
নীচে দেওয়া সম্পূর্ণ ফর্মটি দেওয়া রইল আপনাদের সুবিধার :



No comments