নিউজবাংলা | এগরা : নিছকই পেশাদারিত্ব নাকি রাজনৈতিক সমীকরণের চোরাস্রোত? এগরার তৃণমূল পুরপ্রধান স্বপন নায়েকের গ্রেফতারির পর তাঁর আইনি (Egra) লড়াইকে কেন্দ্র করে এখন এই প্রশ্নেই সরগরম পূর্ব মেদিনীপুরের রাজনীতি। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে স্বপ…
নিউজবাংলা | এগরা : নিছকই পেশাদারিত্ব নাকি রাজনৈতিক সমীকরণের চোরাস্রোত? এগরার তৃণমূল পুরপ্রধান স্বপন নায়েকের গ্রেফতারির পর তাঁর আইনি (Egra) লড়াইকে কেন্দ্র করে এখন এই প্রশ্নেই সরগরম পূর্ব মেদিনীপুরের রাজনীতি। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে স্বপনবাবু যখন জামিনের আর্জি জানাচ্ছেন, তখন তাঁর সপক্ষে সওয়াল করতে দেখা গেল এমন সব আইনজীবীদের, যাঁদের পরিচয় জেলার রাজনৈতিক মহলে ‘বিজেপি ঘনিষ্ঠ’ হিসেবেই সুবিদিত। আর এই ঘটনা ঘিরেই দানা বাঁধছে নতুন জল্পনা— তবে কি ভোটের মুখে শিবির বদলের জমি প্রস্তুত করছেন অপসারিত এই পুরপ্রধান?
শনিবার কাঁথি মহকুমা আদালতে স্বপনবাবুর হয়ে সওয়াল করতে দেখা যায় আইনজীবী অনির্বাণ চক্রবর্তীকে। উল্লেখ্য, অনির্বাণবাবু খোদ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর অধিকাংশ মামলা পরিচালনা করেন।
আরও পড়ুন : ‘৫৫ বছর দল করার পুরস্কার পেলাম’, জমি কেলেঙ্কারিতে ধৃত এগরার পুরপ্রধানের নিশানায় কি নিজের দলই?
স্বপনবাবুর পক্ষে সওয়াল করেছেন নির্মলা দাসও, যিনি গত পুরভোটে কাঁথিতে বিজেপির টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। যদিও অনির্বাণবাবুর দাবি, "এটির সঙ্গে রাজনীতির যোগ নেই, পেশাদারিত্বের খাতিরেই মামলা লড়ছি।" কিন্তু রাজনীতির কারবারিরা অঙ্ক মেলাতে শুরু করেছেন অন্য জায়গায়।
কংগ্রেসের হাত ধরে রাজনীতিতে হাতেখড়ি হওয়া স্বপন নায়েকের রাজনৈতিক জীবন বরাবরই ঘটনাবহুল। ২০০৯ সালে জোট জমানায় প্রথম পুরপ্রধান হওয়া, পরে শিশির অধিকারীর হাত ধরে তৃণমূলে আসা— বারবার পালাবদল দেখেছেন তিনি। তবে কি এবার জেল-যাত্রার পথ ধরে পুরনো গুরুর (শিশির অধিকারী) দেখানো পথেই পদ্ম-শিবিরে নাম লেখাবেন তিনি?

No comments