নিউজবাংলা, মহিষাদল: কড়া নজরদারি এড়িয়েও শেষরক্ষা হল না। মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন মোবাইল ফোন-সহ ধরা পড়ে গেল এক পরীক্ষার্থী। এর জেরে ওই ছাত্রীর এবারের মতো গোটা পরীক্ষাটিই বাতিল করে দিল পর্ষদ। শনিবার চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে মহিষা…
নিউজবাংলা, মহিষাদল: কড়া নজরদারি এড়িয়েও শেষরক্ষা হল না। মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন মোবাইল ফোন-সহ ধরা পড়ে গেল এক পরীক্ষার্থী। এর জেরে ওই ছাত্রীর এবারের মতো গোটা পরীক্ষাটিই বাতিল করে দিল পর্ষদ। শনিবার চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে মহিষাদলের তাজপুর হাইস্কুল পরীক্ষা কেন্দ্রে।
পুলিশ ও স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ছাত্রী আদতে গোপালপুর হাইস্কুলের পড়ুয়া। তার সিট পড়েছিল তাজপুর হাইস্কুলের কেন্দ্রে। অভিযোগ, শনিবার পরীক্ষা চলাকালীন ওই ছাত্রী একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করছিল। বিষয়টি নজরে আসতেই কর্তব্যরত ইনভিজিলেটর ছাত্রীর কাছ থেকে মোবাইলটি উদ্ধার করেন। নিয়মভঙ্গের দায়ে তৎক্ষণাৎ তার পরীক্ষা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তাজপুর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক স্বদেশরঞ্জন বেরা জানিয়েছেন, "পরীক্ষা চলাকালীন এক পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে মোবাইল ফোন পাওয়া গিয়েছে। পর্ষদের নিয়ম অনুযায়ী তার পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।" মহিষাদল থানায় এই মর্মে একটি জেনারেল ডায়েরিও করা হয়েছে স্কুলের পক্ষ থেকে। পুলিশ ওই মোবাইল ফোনটি বাজেয়াপ্ত করেছে এবং ছাত্রীর রেজিস্ট্রেশন নম্বরটি সিজ করা হয়েছে। ফলে এ বছর ওই ছাত্রী আর কোনো পরীক্ষায় বসতে পারবে না।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলা মাধ্যমিক পরীক্ষার কনভেনার সত্যজিৎ কর বলেন, "জেলায় এই প্রথম মোবাইল ব্যবহারের কারণে কোনও পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা বাতিল করার মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হল। আমরা পুরো বিষয়টি জানিয়ে মধ্যশিক্ষা পর্ষদকে রিপোর্ট পাঠিয়েছি।"
বোর্ড বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও কীভাবে পরীক্ষা কেন্দ্রের ভিতরে মোবাইল ঢুকল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে পর্ষদের এই কড়া পদক্ষেপে অন্য পরীক্ষার্থীদের কাছে একটি কড়া বার্তা গেল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

No comments