নিউজবাংলা, কলকাতা: রাজ্যে কর্মসংস্থান ও সামাজিক সুরক্ষায় ফের মাস্টারস্ট্রোক দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটমুখী বাংলায় (Yuba Sathi) বড় ঘোষণা করে তিনি জানালেন, ১৫ আগস্ট নয়, আগামী ১ এপ্রিল অর্থাৎ নতুন অর্থবর্ষের শুরু থে…
নিউজবাংলা, কলকাতা: রাজ্যে কর্মসংস্থান ও সামাজিক সুরক্ষায় ফের মাস্টারস্ট্রোক দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটমুখী বাংলায় (Yuba Sathi) বড় ঘোষণা করে তিনি জানালেন, ১৫ আগস্ট নয়, আগামী ১ এপ্রিল অর্থাৎ নতুন অর্থবর্ষের শুরু থেকেই ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের টাকা পেতে শুরু করবেন উপভোক্তারা।
থমিকভাবে পাঁচ বছর অথবা কর্মসংস্থান না হওয়া পর্যন্ত এই টাকা মিলবে। পাঁচ বছর পর পরিস্থিতির পর্যালোচনার (রিভিউ) ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “আমরা কাউকে এপ্রিল ফুল করছি না, ১ এপ্রিল থেকেই পকেটে টাকা ঢুকবে।”
এদিন মুখ্যমন্ত্রী এক গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পরিবর্তনের কথা জানান। আগে ধারণা ছিল, সরকারি অন্য সুবিধা পেলে হয়তো যুবসাথী মিলবে না। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করেছেন:
ঐক্যশ্রী বা মেধাশ্রীর মতো স্কলারশিপ পেলেও ‘যুবসাথী’র টাকা পেতে কোনও বাধা নেই।
কারা আবেদন করবেন না?
প্রয়োজনীয় নথিপত্রের তালিকা :
আবেদন করার সময় নিচের নথিপত্রগুলোর মূল কপি (Original) এবং ফটোকপি (Xerox) সঙ্গে রাখা জরুরি:
শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণপত্র: যেহেতু ন্যূনতম যোগ্যতা মাধ্যমিক পাস, তাই মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড এবং মার্কশিট বা সার্টিফিকেট অবশ্যই লাগবে।
ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য: আবেদনকারীর নিজস্ব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের পাসবইয়ের প্রথম পাতার ফটোকপি (যাতে টাকা সরাসরি অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারে)। মনে রাখবেন, অ্যাকাউন্টটি যেন সচল থাকে।
পাসপোর্ট সাইজ ছবি: সম্প্রতি তোলা রঙিন পাসপোর্ট সাইজ ছবি (২-৩ কপি)।
মোবাইল নম্বর: একটি সচল মোবাইল নম্বর যা আবেদনপত্রের সাথে যুক্ত করা হবে।
অন্যান্য স্কলারশিপের তথ্য (যদি থাকে): আপনি যদি ঐক্যশ্রী বা মেধাশ্রী পান, তবে তার তথ্য দিতে হতে পারে (যদিও মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন এতে টাকা পেতে বাধা নেই)।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
১. আবেদন কোথায় করবেন: ১৫ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আপনার বিধানসভা ভিত্তিক যে ক্যাম্পগুলি হবে, সেখানে গিয়ে আবেদন জমা দিতে হবে।
২. যুবশ্রী প্রাপকদের জন্য: আপনি যদি আগে থেকেই 'যুবশ্রী' প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে থাকেন, তবে আপনি এই নতুন 'যুবসাথী' প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন না।
৩. আবেদন ফর্ম: নির্দিষ্ট ক্যাম্প থেকেই প্রকল্পের আবেদনপত্র (Application Form) সংগ্রহ করা যাবে।
কৃষকদের জন্য সুখবর
বাজেটে ঘোষিত ভূমিহীন খেতমজুরদের বার্ষিক ৪ হাজার টাকা ভাতা এবং সেচের জল কর মকুবের সুবিধাও ১ এপ্রিল থেকেই কার্যকর হচ্ছে। এর ফলে রাজ্যের কয়েক লক্ষ কৃষি পরিবার সরাসরি উপকৃত হবে বলে আশাবাদী প্রশাসন। যদিও ডিএ (DA) সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ নিয়ে এদিন কোনও মন্তব্য করতে চাননি মুখ্যমন্ত্রী।
#যুবসাথী #Yubasathi #মমতাবন্দ্যোপাধ্যায় #MamataBanerjee #WestBengalNews #WBGovt #যুবশক্তি #বাংলারপ্রকল্প #EmploymentAllowance #NabananNews #NewsBangla

No comments