100 Days work : ১০০ দিনের কাজে দিল্লির নয়া ‘গেরো’, শর্তের জালে নাজেহাল নবান্ন, বাংলায় কাজের ভবিষ্যৎ কি, উদ্বিগ্ন কয়েক কোটি জব হোল্ডার ! - Newz Bangla

Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

100 Days work : ১০০ দিনের কাজে দিল্লির নয়া ‘গেরো’, শর্তের জালে নাজেহাল নবান্ন, বাংলায় কাজের ভবিষ্যৎ কি, উদ্বিগ্ন কয়েক কোটি জব হোল্ডার !

নিউজবাংলা ডেস্ক :  ১০০ দিনের কাজ বা মনরেগা প্রকল্পে ফের সংঘাতের আবহ কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে। দীর্ঘ টালবাহানার পর কেন্দ্র প্রকল্প চালুর (100 Days work) সবুজ সংকেত দিলেও, তার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে একাধিক ‘কঠিন’ শর্ত। রাজ্যের অভিযো…


নিউজবাংলা ডেস্ক :  ১০০ দিনের কাজ বা মনরেগা প্রকল্পে ফের সংঘাতের আবহ কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে। দীর্ঘ টালবাহানার পর কেন্দ্র প্রকল্প চালুর (100 Days work) সবুজ সংকেত দিলেও, তার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে একাধিক ‘কঠিন’ শর্ত। রাজ্যের অভিযোগ, এই সমস্ত শর্ত বাস্তবে পালন করা কার্যত অসম্ভব।

ফলে এখনই ‘শ্রম বাজেট’ বা কাজের পরিকল্পনা পাঠাতে রাজি নয় নবান্ন। মঙ্গলবার কোচবিহারের এক জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও কেন্দ্রের এই নয়া নির্দেশিকার কড়া সমালোচনা করেছেন।

কী সেই শর্ত?
দফতর সূত্রে খবর, গত ৬ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক পশ্চিমবঙ্গকে একগুচ্ছ শর্ত দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। তার মধ্যে প্রধান আপত্তির জায়গাগুলি হলো:

* কাজের সীমাবদ্ধতা: পঞ্চায়েত স্তরে সর্বোচ্চ ১০টি কাজ করা যাবে এবং তার মোট বরাদ্দ ২০ লক্ষ টাকার বেশি হবে না।

* সময়সীমা: প্রতিটি কাজ তিন মাসের মধ্যে শেষ করা বাধ্যতামূলক।

* আর্থিক দায়ভার: নয়া ‘জি রাম জি’ (G-RAM-G) আইনের আওতায় শ্রম বাজেটের ৪০ শতাংশ খরচের দায় রাজ্য সরকারকে নিতে হবে।

* ত্রৈমাসিক বাজেট: বার্ষিক বাজেটের বদলে প্রতি তিন মাস অন্তর কাজের খতিয়ান ও বাজেট পেশ করতে হবে।

রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার জানিয়েছেন, "এমন কিছু শর্ত চাপানো হয়েছে যা মেনে নেওয়া কঠিন। মনে হচ্ছে, না দেওয়ার অজুহাত খুঁজতেই এই বিশেষ শর্তগুলো দেওয়া হয়েছে।" তাঁর মতে, রাজ্যের প্রস্তাব আসার পর গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের এমপাওয়ার্ড কমিটি তা খতিয়ে দেখবে বলে জানানো হলেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে শ্রম বাজেট পাঠানো সম্ভব নয়।

উল্লেখ্য, ২০২১ সাল থেকে দুর্নীতির অভিযোগে রাজ্যে মনরেগার টাকা আটকে রেখেছিল কেন্দ্র। সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর ফের কাজ শুরু হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হলেও শর্তের জালে তা ফের আটকে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। রাজ্যের পাল্টা দাবি, তারা নিজস্ব ‘কর্মশ্রী’ প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষকে কাজ দিচ্ছে এবং সেখানে কেন্দ্রের এই ‘দয়ার’ ওপর নির্ভর করতে তারা নারাজ।

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সামনেই নির্বাচন। তার আগে কেন্দ্র চাইছে কড়া নজরদারি ও স্বচ্ছতার মোড়কে কাজ চালু করতে। অন্যদিকে, রাজ্য সরকার মনে করছে এগুলি স্রেফ বাধা সৃষ্টির কৌশল। সব মিলিয়ে ১০০ দিনের কাজ নিয়ে দিল্লি বনাম কলকাতার লড়াই আপাতত থমকে নেই।


No comments