নিউজবাংলা, মহিষাদল:পঞ্চায়েতথেকেনামএসেছেসরকারিঘরের।সেইঘরপাইয়েদেওয়ারনামকরেএকগৃহবধূরচোখেরসামনেথেকেইনগদ৪০হাজারটাকানিয়েচম্পটদিলএকপ্রতারক।ঘটনাটিঘটেছেমহিষাদল (Mahishadal)ব্লকেরসতীশসামন্তগ্রামপঞ্চায়েতেরগোপালপুরগ্রামের (পূর্বপল্লী) এলাক…
নিউজবাংলা, মহিষাদল: পঞ্চায়েত থেকে নাম এসেছে সরকারি ঘরের। সেই ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে এক গৃহবধূর চোখের সামনে থেকেই নগদ ৪০ হাজার টাকা নিয়ে চম্পট দিল এক প্রতারক। ঘটনাটি ঘটেছে মহিষাদল (Mahishadal) ব্লকের সতীশ সামন্ত গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপালপুর গ্রামের (পূর্বপল্লী) এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার শনিবার সকাল নাগাদ। ঘটনার আকস্মিকতায় কার্যত হতভম্ব ওই গৃহবধূ ও তাঁর পরিবার।
ঘটনার বিবরণ: স্থানীয় সূত্রে
জানা
গিয়েছে,
গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা সমরেশ
জানার
স্ত্রী
উমা
জানা
শনিবার
সকালে
বাড়িতে
একাই
ছিলেন।
সকাল
৯টা
থেকে
সাড়ে
৯টা
নাগাদ
একটি
মোটর
বাইকে
চড়ে
এক
মাঝবয়সী ব্যক্তি তাঁদের
বাড়িতে
আসে।
অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে
ওই
ব্যক্তি বাড়ির
সদস্যদের নাম
ধরে
ডাকতে
শুরু
করে।
উমাদেবী বাইরে
এলে
ওই
ব্যক্তি জানায়,
সরকারি
প্রকল্পের ঘর
এসেছে
তাঁর
নামে।
সেই
ঘর
পাইয়ে
দেওয়ার
তদারকি
করতেই
সে
এসেছে।
প্রতারক এতটাই
চতুর
ছিল
যে,
সে
জানত
সমরেশবাবু কাজের
সূত্রে
বাড়ির
বাইরে
থাকেন।
এমনকি
এলাকার
পঞ্চায়েত প্রধানের নাম
উল্লেখ
করেও
সে
বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন
করে।
গৃহবধূর সন্দেহ
দূর
করতে
ওই
ব্যক্তি সমরেশবাবুকে ফোন
করে
কথা
বলিয়ে
দেওয়ার
নাটকও
করে।
ফোনে
জানানো
হয়,
স্ত্রীর নামে
নতুন
ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুললেই
সরকারি
ঘরের
টাকা
সরাসরি
ঢুকে
যাবে।
সম্মোহনের জাল? উমাদেবী জানান,
ওই
ব্যক্তি কথা
বলতে
বলতেই
তাঁকে
ঘর
থেকে
টাকা
নিয়ে
আসতে
বলে।
প্রায়
১৫-২০ মিনিটের এক
'নিখুঁত
অপারেশনে' উমাদেবী নিজের
অজান্তেই আলমারিতে থাকা
৪০
হাজার
টাকা
ওই
ব্যক্তির হাতে
তুলে
দেন।
টাকা
হাতে
পাওয়া
মাত্রই
বাইক
নিয়ে
চম্পট
দেয়
ওই
দুষ্কৃতী।
সবচেয়ে
আশ্চর্যের বিষয়,
ওই
ব্যক্তি চলে
যাওয়ার
কিছুক্ষণ পর
হুঁশ
ফেরে
উমাদেবীর। তিনি
বুঝে
উঠতে
পারছেন
না,
কেন
বা
কীভাবে
তিনি
ওই
অচেনা
ব্যক্তির হাতে
টাকাগুলো তুলে
দিলেন।
তাঁর
দাবি,
ওই
ব্যক্তি বোধহয়
কোনও
'সম্মোহনী বিদ্যা'
প্রয়োগ
করেছিল,
যার
ফলে
তিনি
প্রতিবাদ তো
দূর
থাক,
যন্ত্রের মতো
তাঁর
নির্দেশ পালন
করেছেন।
দিনমজুর পরিবারে তিল তিল করে জমানো এই টাকা হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন উমাদেবী। এলাকার সাধারণ মানুষের নাম, সরকারি প্রকল্পের তথ্য এবং পঞ্চায়েত স্তরের খবর ওই প্রতারক কীভাবে পেল, তা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। গ্রামবাসীর প্রাথমিক ধারণা, এলাকার সব খবরাখবর নিয়েই রীতিমতো ছক কষে এই অপারেশন চালিয়েছে ওই দুষ্কৃতী। তবে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত পুলিশে কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি বলেই পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
#MahishadalNews #CrimeReport #FraudAlert #PurbaMedinipur #LocalNewsWestBengal
No comments