নিউজবাংলা, তমলুক :ময়নাবিধানসভাকেন্দ্রেভুতুড়েভোটারকার্ডএন্ট্রিরঘটনায়চাঞ্চল্যকরমোড়।অনিয়মেরঅভিযোগেএবারইআরও (ERO) এবংএইআরও (AERO)-রবিরুদ্ধেসরাসরিএফআইআরকরারনির্দেশদিলনির্বাচনকমিশন।ইতিমধ্যেই (SIR 2026)জেলাশাসকেরকাছেএইসংক্রান্তনির্দেশিক…
নিউজবাংলা, তমলুক : ময়না বিধানসভা কেন্দ্রে ভুতুড়ে ভোটার কার্ড এন্ট্রির ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়। অনিয়মের অভিযোগে এবার ইআরও (ERO) এবং এইআরও (AERO)-র বিরুদ্ধে সরাসরি এফআইআর করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই (SIR 2026) জেলাশাসকের কাছে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা পৌঁছে গিয়েছে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট দুই আধিকারিকের ওপর আইনি খাঁড়া ঝুলছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
গত জুলাই মাসে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না ও নন্দকুমার বিধানসভা কেন্দ্রে ১৪১ জন ‘ভুতুড়ে’ ভোটারের সন্ধান পায় কমিশন। এর মধ্যে ময়নায় ৭৬ জন এবং নন্দকুমারে ৬৫ জন ভুয়া ভোটারের নাম তালিকায় ঢোকানো হয়েছিল। তদন্তে উঠে আসে, তমলুক বিডিও অফিসে বসেই এই অস্তিত্বহীন ভোটারদের নাম নথিবদ্ধ করা হয়েছিল। এই ঘটনার প্রাথমিক তদন্তের পর সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় পদক্ষেপ নিয়েছিল রাজ্য সরকার।
আশ্চর্যের বিষয় হলো, সোমবারই ময়নার ইআরও বিপ্লব সরকারের ওপর থেকে সাসপেনশন প্রত্যাহার করে নিয়েছিল রাজ্য। কিন্তু সেই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হলো না। ওই দিনই ফের নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বিপ্লববাবু এবং এইআরও সুদীপ্ত দাসের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার কড়া নির্দেশ আসে। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, বিপ্লববাবুর লগ-ইন আইডি ব্যবহার করে এই নামগুলো তালিকায় তোলা হয়েছিল। যদিও বিপ্লববাবুর দাবি, তিনি এই জালিয়াতির বিষয়ে কিছুই জানতেন না।
তদন্তকারী আধিকারিক তথা অতিরিক্ত জেলাশাসক (ভূমি) বৈভব চৌধুরী ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিয়েছেন। রিপোর্টে জানা গেছে, উত্তর ২৪ পরগনার সোদপুর, মধ্যমগ্রাম ও শ্যামনগরের বিভিন্ন সাইবার ক্যাফে থেকে ভুয়া নথি আপলোড করে এই আবেদনগুলি করা হয়েছিল। জেলা প্রশাসনের এক কর্তার কথায়, “কমিশনের নির্দেশ অত্যন্ত স্পষ্ট। জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত কাউকেই রেয়াত করা হবে না। সেই মোতাবেক আইনি প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।” এখন দেখার, প্রশাসনের এই পদক্ষেপের পর ভোট-তালিকা নিয়ে চলা এই বড়সড় দুর্নীতির জাল কতদূর পর্যন্ত পৌঁছায়।
No comments