নিজস্বপ্রতিবেদন, দিঘা:বছরেরশুরুতেইভক্তসমাগমেতিলধারণেরজায়গানেইদিঘারজগন্নাথমন্দিরে।পয়লাজানুয়ারিভিড়েররেকর্ডভাঙারপরএবারশাস্ত্রীয়আচারআরপুষ্পবৃষ্টিরসাক্ষীহতেচলেছেনপর্যটকরা।শনিবার, ৩জানুয়ারিদিঘারজগন্নাথমন্দিরে (Digha Jagannath Dham)ধ…
নিজস্ব প্রতিবেদন, দিঘা: বছরের শুরুতেই ভক্ত সমাগমে তিলধারণের জায়গা নেই দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে। পয়লা জানুয়ারি ভিড়ের রেকর্ড ভাঙার পর এবার শাস্ত্রীয়
আচার আর পুষ্পবৃষ্টির সাক্ষী
হতে চলেছেন পর্যটকরা। শনিবার, ৩ জানুয়ারি দিঘার
জগন্নাথ মন্দিরে (Digha Jagannath Dham)
ধুমধাম করে পালিত হতে চলেছে জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রা দেবীর
‘পুষ্প অভিষেক’ উৎসব।
ফুলের বৃষ্টিতে স্নান :মন্দির কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর, এদিন সকাল থেকেই রীতি মেনে শুরু হবে পূজার্চনা। তবে বিশেষ আকর্ষণ হলো পুষ্প অভিষেক। মন্দিরের প্রধান পুরোহিত রাধারমন দাস জানান, “গত জুন মাসে দুধ, দই, ঘি ও মধু-সহ পঞ্চতত্ত্ব দিয়ে মহাপ্রভুর স্নানযাত্রা বা অভিষেক হয়েছিল। কিন্তু এবার হবে পুষ্প অভিষেক। এদিন ফুল দিয়ে তিন দেব বিগ্রহকে বিশেষভাবে সাজানো হবে। ভক্তরা সারাদিন যে ফুল নিবেদন করবেন, তা দিয়েই বিশেষ ঝর্নাধারার মাধ্যমে ভগবানের ওপর পুষ্পবৃষ্টি করা হবে। সেই ফুলের বৃষ্টিতেই স্নান করবেন জগন্নাথদেব।”
দিঘার এই নতুন মন্দিরের
জনপ্রিয়তা যে দিন দিন
আকাশছোঁয়া হচ্ছে, তার প্রমাণ মিলছে ভক্তদের সংখ্যায়। রাধারমনবাবুর দাবি, শুধু বছরের প্রথম দিনেই ১ লক্ষেরও বেশি
মানুষ মন্দিরে এসে দর্শন করেছেন। ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে মন্দির কর্তৃপক্ষকে। মন্দিরে দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে বেড়েছে প্রসাদের চাহিদা। গত ডিসেম্বর মাস
থেকে পরীক্ষামূলকভাবে মন্দিরে থালি সিস্টেম বা নির্দিষ্ট মূল্যের
অন্নপ্রসাদ চালু করা হয়েছে। আর তাতেই মিলেছে
অভাবনীয় সাড়া।
মন্দিরের প্রসাদ বিক্রির খতিয়ান:
·
ডিসেম্বরের
প্রথম ১৫ দিন: প্রায় ২০ লক্ষ টাকার
প্রসাদ বিক্রি।
·
ডিসেম্বরের
শেষ ১৫ দিন: প্রায় ৬১ লক্ষ টাকার
প্রসাদ বিক্রি।
অর্থাৎ,
শেষ ১৫ দিনে প্রসাদ
বিক্রির হার একলাফে তিনগুণ বেড়ে গিয়েছে। রাধারমন জানান, প্রতিদিন চাহিদার তুলনায় জোগান দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। বর্তমানে দুপুর ও রাতের বিশেষ থালি এবং সকাল-বিকেলের লুচি-পুরি প্রসাদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
ক্রমবর্ধমান ভিড় সামলাতে এবার পরিকাঠামো উন্নয়নের কথা ভাবছে মন্দির কমিটি। রাধারমন দাস বলেন, “যে হারে চাহিদা
বাড়ছে, তাতে প্রসাদের পরিমাণ আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে মায়াপুরের ইসকন মন্দিরের আদলে এখানেও কয়েক হাজার মানুষ যাতে একসঙ্গে বসে প্রসাদ পেতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করার ভাবনাচিন্তা চলছে।”
আপাতত শনিবারের পুষ্প অভিষেককে কেন্দ্র করে জগন্নাথ মন্দির জুড়ে সাজ সাজ রব। বছরের প্রথম সপ্তাহান্তের ছুটিতে মন্দিরে উপচে পড়া ভিড় সামলাতে প্রস্তুত প্রশাসনও।
#JagannathTempleDigha #PushpaAbhishek #JaiJagannath #DighaJagannathTemple #DivineAbhishek #SpiritualBengal
No comments