নিউজবাংলা, দিঘা: মাঝসমুদ্রে আচমকাই বিকল হয়ে গিয়েছিল ট্রলারের ইঞ্জিন। চারিদিকে দিগন্তবিস্তৃত জলরাশি আর মাথার ওপর দ্রুত নেমে আসা ঘুটঘুটে অন্ধকার। পাথরপ্রতিমা থেকে দিঘা আসার পথে ঠিক এই পরিস্থিতিরই সম্মুখীন হয়েছিলেন ২২ জন পর্যটক। শনি…
নিউজবাংলা, দিঘা: মাঝসমুদ্রে আচমকাই বিকল হয়ে গিয়েছিল ট্রলারের ইঞ্জিন। চারিদিকে দিগন্তবিস্তৃত জলরাশি আর মাথার ওপর দ্রুত নেমে আসা ঘুটঘুটে অন্ধকার। পাথরপ্রতিমা থেকে দিঘা আসার পথে ঠিক এই পরিস্থিতিরই সম্মুখীন হয়েছিলেন ২২ জন পর্যটক। শনিবার রাতে মাঝসমুদ্রে কয়েক ঘণ্টা চরম উৎকণ্ঠায় কাটানোর পর অবশেষে দিঘা কোস্টাল থানার পুলিশের তৎপরতায় রক্ষা পেলেন তাঁরা। প্রাণে বেঁচে যেন নতুন জীবন ফিরে পেলেন পর্যটকের দলটি।
উদ্ধার হওয়া পর্যটকরা জানাচ্ছেন, পাথরপ্রতিমা থেকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার ধকল এবং প্রতিকূল পরিস্থিতির জেরে তাঁরা একসময় আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন। এক পর্যটকের কথায়, "আনন্দের দিঘা যাত্রা যে এভাবে ভয়ংকর পরিস্থিতির মুখে দাঁড় করাবে, তা কল্পনাও করতে পারিনি। চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসছিল, কোনও উপায় ছিল না। পুলিশ সময়মতো না পৌঁছলে আজ কী হতো জানি না।"
পুর্ব মেদিনীপুরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিতুন কুমার দে বলেন, "সম্প্রতি জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি হেল্পলাইন নম্বর (৭০৪৭৯৮৯৮০০) চালু করা হয়েছে। বিপদে পড়া ওই ট্রলারের যাত্রীরা সামাজিক মাধ্যম থেকে সেই নম্বর সংগ্রহ করেই আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এর ফলেই আমরা খুব দ্রুততার সঙ্গে তাঁদের উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। এটা জেলা পুলিশের সাফল্য।" আপৎকালীন পরিস্থিতিতে পুলিশের এই তৎপরতাকে কুর্নিশ জানিয়েছেন পর্যটকরা। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই ট্রলারটি বিকল হয়েছিল। বর্তমানে পর্যটকরা সকলে সুস্থ আছেন।

No comments