Newz Bangla, নন্দীগ্রাম :বর্ষাররাতেরঅন্ধকারেরসুযোগনিয়েবৃদ্ধদম্পতিকেআগ্নেয়াস্ত্রদেখিয়েচালানোহয়েছিলতাণ্ডব।লুটকরাহয়েছিললক্ষাধিকটাকারসোনারগয়না, রূপোওনগদটাকা।কিন্তুশেষরক্ষাহলনা।ঘটনারতদন্তেনেমেতামিলনাড়ুরচেন্নাইসহরাজ্যেরবিভিন্নপ্রান্…
Newz
Bangla, নন্দীগ্রাম
: বর্ষার রাতের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে বৃদ্ধ দম্পতিকে
আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে চালানো হয়েছিল তাণ্ডব। লুট করা হয়েছিল
লক্ষাধিক টাকার সোনার গয়না, রূপো ও নগদ
টাকা। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। ঘটনার
তদন্তে নেমে তামিলনাড়ুর চেন্নাই
সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অভিযান চালিয়ে ডাকাত দলের মূল পান্ডা-সহ মোট সাতজনকে
গ্রেফতার করল নন্দীগ্রাম থানার
পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে ডাকাতি হওয়া অলঙ্কার ও
সামগ্রীর সিংহভাগই।
পুলিশ
সূত্রে জানা গিয়েছে, গত
৬ ও ৭ জুলাই
গভীর রাতে নন্দীগ্রাম থানার
বয়াল গ্রাম পঞ্চায়েতের মঙ্গলচক গ্রামের বাসিন্দা সনৎ দাসের বাড়িতে
হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। মুষলধারে বৃষ্টির সুযোগ নিয়ে প্রায় ১০
জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত
দল ফাঁকা জায়গায় অবস্থিত ওই বাড়ির দরজা
ও তালা ভেঙে ভেতরে
ঢোকে। সনৎবাবু ও তাঁর স্ত্রীকে
আগ্নেয়াস্ত্র, লাঠিসোটা ও ভোজালির মুখে
জিম্মি করে চলে দেদার
লুটপাট। দুষ্কৃতীরা ১০৩ গ্রাম সোনার
গয়না, রূপোর অলঙ্কার, নগদ লক্ষাধিক টাকা
ও নানা সামগ্রী নিয়ে
চম্পট দেয়।
ঘটনার
পর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সিসিটিভি ফুটেজ এবং স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদের
ওপর ভিত্তি করে তদন্তে নামে
পুলিশ। দেখা যায়, দলের
সাতজন ঘরের ভেতর লুটপাট
চালালেও বাকি তিনজন বাইরে
নজরদারির দায়িত্বে ছিল। সূত্রের খবর
ধরে চেন্নাই থেকে মূল চক্রান্তকারীকে
পাকড়াও করা হয়। এরপর
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জেলার নানা প্রান্ত থেকে
গ্রেফতার করা হয় বাকি
ছয় সঙ্গীকে। ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তল্লাশি চালিয়ে
লুট হওয়া অধিকাংশ সামগ্রী
উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার
এক সাংবাদিক সম্মেলনে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা জানান, ধৃতদের
বিরুদ্ধে আগেও একাধিক ডাকাতির
অভিযোগ রয়েছে। দলের বাকি সদস্যদের
খোঁজ ও অবশিষ্ট সামগ্রী
উদ্ধারে তল্লাশি জারি রয়েছে। ঘটনার
কিছুদিনের মধ্যেই দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার ও সামগ্রী উদ্ধার
করায় জেলা পুলিশের ভূমিকার
প্রশংসা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

No comments