নিজস্ব প্রতিবেদন, পটাশপুর: গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রাতে অতর্কিতে হানা দিয়ে বড়সড় সাফল্য পেল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। এলাকাকে অপরাধমুক্ত এবং শান্ত রাখতে গত রাতে পটাশপুর থানা এলাকার দুটি পৃথক গ্রামে অভিযান চালায় পুলিশ বাহিনী। সেই অভ…
নিজস্ব প্রতিবেদন, পটাশপুর: গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রাতে অতর্কিতে হানা দিয়ে বড়সড় সাফল্য পেল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। এলাকাকে অপরাধমুক্ত এবং শান্ত রাখতে গত রাতে পটাশপুর থানা এলাকার দুটি পৃথক গ্রামে অভিযান চালায় পুলিশ বাহিনী। সেই অভিযানে উদ্ধার হয়েছে দুটি বেআইনি শাটার বন্দুক। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দু'জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে পটাশপুর থানার বারবাঘিয়া এবং ক্ষেত্রপাল গ্রামে বেআইনি অস্ত্র মজুত থাকার খবর পৌঁছায় জেলা পুলিশের কাছে। খবর পাওয়া মাত্রই সময় নষ্ট না করে পটাশপুর থানার পুলিশ আধিকারিকদের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল গঠন করে দুই গ্রামে অতর্কিতে হানা দেওয়া হয়।
অভিযান চলাকালীন বারবাঘিয়া গ্রামের বাসিন্দা হরিপদ জানা এবং ক্ষেত্রপাল গ্রামের বাসিন্দা পঞ্চানন দাসের বাড়িতে তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। তল্লাশিতে দুই অভিযুক্তের বাড়ি থেকেই একটি করে, মোট দুটি দেশি শাটার বন্দুক উদ্ধার হয়। আগ্নেয়াস্ত্র রাখার সপক্ষে কোনও বৈধ নথি দেখাতে না পারায় ঘটনাস্থল থেকেই হরিপদ জানা ও পঞ্চানন দাসকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।
জেলা পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিক জানান, "জেলায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অপরাধমূলক কাজকর্ম রুখতে আমরা প্রতিনিয়ত তৎপর। বেআইনি অস্ত্রের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নেওয়া হয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে আইনি পদক্ষেপ শুরু হয়েছে। এই অস্ত্রের উৎস কী এবং তা কোনও বড়সড় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।"
ধৃতদের আজই কাঁথি মহকুমা আদালতে পেশ করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এলাকাকে সুরক্ষিত রাখতে জেলাজুড়ে পুলিশের এই বিশেষ অভিযান জারি থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

No comments