নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: আধুনিকতার পথে আরও এক ধাপ এগোল বাংলার জলক্রীড়া জগৎ। রাজ্যজুড়ে সাঁতারের পরিকাঠামো উন্নত করতে এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা আনতে নিজস্ব ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও ওয়েবসাইটের সূচনা করল ‘বেঙ্গল অ্যামেচার সুইমিং অ্যাসোসিয়…
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা: আধুনিকতার পথে আরও এক ধাপ এগোল বাংলার জলক্রীড়া জগৎ। রাজ্যজুড়ে সাঁতারের পরিকাঠামো উন্নত করতে এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা আনতে নিজস্ব ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও ওয়েবসাইটের সূচনা করল ‘বেঙ্গল অ্যামেচার সুইমিং অ্যাসোসিয়েশন’ (BASA)। শনিবার রাসবিহারী অ্যাভিনিউয়ের ডিকেএস-এ আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে এই পোর্টালের উদ্বোধন করা হয়।
একই সঙ্গে উত্তর কলকাতার দেশবন্ধু পার্কে একটি বিশ্বমানের সুইমিং কমপ্লেক্স তৈরির কথা ঘোষণা করেছে সংস্থা। যার ফলে দীর্ঘদিনের আক্ষেপ মিটিয়ে প্রতিযোগিতামূলক সাঁতারে বাংলা আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে।
শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের উদ্বোধন করেন ‘বাসা’-র সভাপতি দেবাশিস কুমার। উপস্থিত ছিলেন সংস্থার প্রধান পৃষ্ঠপোষক অজিত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সচিব কঙ্কন পাণিগ্রাহী। এছাড়াও অনুষ্ঠানে রাজ্যের বিশিষ্ট কোচ ও সাঁতারুরা উপস্থিত ছিলেন।
এখন থেকে অ্যাথলিটদের নাম নথিভুক্তকরণ, প্রতিযোগিতার সূচি, ফলাফল এবং অ্যাসোসিয়েশনের যাবতীয় কাজ এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই নিয়ন্ত্রিত হবে। এর ফলে সাধারণ মানুষ ও ক্রীড়াবিদদের কাছে তথ্যের আদান-প্রদান অনেক সহজ ও স্বচ্ছ হবে।
এদিনের অনুষ্ঠানের অন্যতম বড় আকর্ষণ ছিল দেশবন্ধু পার্কে প্রস্তাবিত নতুন সাঁতার কেন্দ্রটি। কলকাতা পুরসভার সঙ্গে একটি বিশেষ চুক্তির মাধ্যমে এই প্রকল্পের কাজ শুরু করছে ‘বাসা’।
- পরিকাঠামো: এখানে একটি ৫০ মিটার × ২৫ মিটারের অলিম্পিক সাইজ কম্পিটিশন পুল তৈরি করা হবে।
- লক্ষ্য: উত্তর কলকাতায় সাঁতারের একটি প্রধান প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা ‘হাব’ গড়ে তোলা।
- পরিকল্পনা: এখানে রাজ্য স্তরের চ্যাম্পিয়নশিপ ছাড়াও বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবির ও প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।
সচিব কঙ্কন পাণিগ্রাহী বলেন, “দেশবন্ধু পার্কের এই কমপ্লেক্স বাংলার সাঁতারের ইকোসিস্টেম বদলে দেবে। আগামী দিনে এই কেন্দ্রটিকে আমরা উচ্চমানের প্রতিযোগিতার উপযোগী করে তুলব।”
বাংলার সাঁতারের ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ। দেশের হয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে বহু পদক জিতেছেন এই রাজ্যের সাঁতারুরা। এতদিন পর্যন্ত বিভিন্ন ক্লাবের পুল বা পুরসভার পুলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে অনুশীলন করতে হতো প্রতিযোগীদের। কিন্তু দেশবন্ধু পার্কে নিজস্ব ও অত্যাধুনিক পরিকাঠামো তৈরি হলে, প্রশিক্ষণে অনেক বেশি সংহতি আসবে বলে আশাবাদী ক্রীড়ামহল।
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং নতুন পরিকাঠামো— এই দুইয়ের মেলবন্ধনে বাংলার জলক্রীড়া জগৎ থেকে আগামীর অলিম্পিয়ান তুলে আনাই এখন ‘বাসা’-র প্রধান লক্ষ্য।
রইল আরও কিছু মুহুর্ত :
#BASA #BengalSwimming #KolkataSports #AquaticIndia #DeshbandhuPark #DigitalBengal #SwimmingNews #BengalAmateurSwimmingAssociation #NewzBangla






No comments