Haldia : মাত্র ১৭ দিন আগে মৃত্যু হয়েছিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পাঠরত একমাত্র ছেলের, আজ হলদিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল গোটা পরিবার ! - Newz Bangla

Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

Haldia : মাত্র ১৭ দিন আগে মৃত্যু হয়েছিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পাঠরত একমাত্র ছেলের, আজ হলদিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল গোটা পরিবার !

নিউজবাংলা, হলদিয়া :ভাগ্যেরকিনির্মমপরিহাস।কিছুদিনআগেওযেপরিবারটিবুনছিলউজ্জ্বলভবিষ্যতেরস্বপ্নতাআজঅতীত।দিন১৭আগেআচমকাঅসুস্থহয়েমৃত্যুহয়েছেইঞ্জিনিয়ারিংয়েপাঠরতপরিবারেরএকমাত্রছেলে সৌভিকের।আরআজশনিবার (Haldia)চৈতন্যপুরথেকেব্রজলালচকগামীরাজ্য…

 


নিউজবাংলা, হলদিয়া : ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস। কিছুদিন আগেও  যে পরিবারটি বুনছিল উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন তা আজ অতীত। দিন ১৭ আগে আচমকা অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয়েছে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পাঠরত পরিবারের একমাত্র ছেলে সৌভিকের। 

আর আজ শনিবার (Haldia) চৈতন্যপুর থেকে ব্রজলালচক গামী রাজ্য সড়কে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় পরিবারের বাকী সদস্যেরও মর্মান্তিক পরিণত হল। মাত্র কয়েকটা দিনের ব্যবধানে সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল সুতাহাটা থানার কৃষ্ণনগর গ্রামের বাসিন্দা অরূপ মন্ডল এর আস্ত পরিবারটি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটা সময় গাড়ির হেল্পার হিসেবে কর্মরত অরূপ বর্তমানে পুরানো গাড়ি কেনা বেচার কারবারে যুক্ত। নিজে অভাবের সঙ্গে লড়াই করলেও এক ছেলে এক মেয়েকে সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে কোনও কসুর করেননি তিনি। 

পড়াশোনায় অত্যন্ত মেধাবী ছেলে সৌভিক হলদিয়া ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র ছিল। কিন্তু আচমকাই ছন্দপতন। কিছুদিন আগে হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় শৌভিক। সবাইকে কাঁদিয়ে গত প্রায় ১৭ দিন আগে হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।

একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে শোকে পাথর হয়ে যায় মন্ডল পরিবার। এখন বছর ১৩ এর মেয়েকে সুজিতাকে আঁকড়েই বাঁচার মরিয়া প্রয়াস শুরু হয় অরূপ স্ত্রী প্রতিমার একরাশ মানসিক চাপ মাথায় নিয়েও জীবনের লড়াইয়ে এগিয়ে যেতে চায় অরূপ।

আরও পড়ুন : Haldia : ফেরা হলো না আর কৃষ্ণনগরের বাড়িতে, এক নিমিষেই শেষ একটি সুখী পরিবার | হলদিয়ার পথদুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাবা-মা ও মেয়ের !

আজ শনিবার স্ত্রী ও কন্যাকে নিয়ে একটি পুরানো বাইকে চেপে কোনও কাজে বেরিয়েছিল সে। আর ভাগ্যের ফেরে বালুঘাটা রোডে অভিশপ্ত বাসের সামনে আচমকা নিয়ন্ত্রণ হারায় বাইকটি। বাসটিও উল্টোদিক থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাইকে সওয়ার অরূপ, তাঁর মেয়ে ও স্ত্রীকে পিষে দিয়ে সটান ধাক্কা খায় রাস্তার পাশে।

ঘটনার ভয়াবহতা এতটাই ছিল যে বাসের ধাক্কায় অরূপের গোটা পরিবারের ঘটনাস্থলে শলিল সমাধি ঘটে। এই ঘটনার খবর কৃষ্ণনগর গ্রামে পৌছাতেই শোকে মূহ্যমান গোটা এলাকা। একটা পরিবারের এমন নির্মম পরিণতি ঘটতে পারে তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। প্রশসনের উদ্যোগে শনিবার বিকেলেই হলদিয়া মহকুমা হাসপাতালে ৩টি মৃতদেহের ময়না তদন্ত শেষ হয়েছে। এরপর দেহ গ্রামে ফিরলে এলাকার বাসিন্দারা একজোট হয়ে দেহগুলিকে শ্মশানে নিয়ে গিয়েছেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এভাবে গ্রামের শ্মশানে একসঙ্গে একই পরিবারের ৩টি দেহ দাহ’র ঘটনা আগে কখনও ঘটেছে কিনা কেউ মনে করতে পারছেন না। অরূপের গোটা পরিবারকে শেষ বিদায় জানাতে তাই গোটা গ্রাম উপচে পড়েছে শ্মশানের পথে। মন্ডল পরিবারের এই মর্মান্তিক ঘটনায় বাকরুদ্ধ গোটা এলাকা।

#HaldiaNews #HaldiaLive #NewzBangla #BengaliNews #PurbaMedinipurNews #Haldia

No comments