Baruipur : এনকাউন্টারে খ*ত*ম বারুইপুরকান্ডে মূল অভিযুক্ত প্রভাস মন্ডল, আত্ম রক্ষার্থে গুলি দাবী পুলিশের ! - Newz Bangla

Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

Baruipur : এনকাউন্টারে খ*ত*ম বারুইপুরকান্ডে মূল অভিযুক্ত প্রভাস মন্ডল, আত্ম রক্ষার্থে গুলি দাবী পুলিশের !

Newz Bangla, বারুইপুর: সোমবার বারুইপুরে এক নাবালিকাকে অপহরণ করে নৃশংস অত্যাচার ও খুনের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনার মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল মঙ্গলবার রাতে পুলিশি এনকাউন্টারে খতম হল। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনা…

 


Newz Bangla, বারুইপুর: সোমবার বারুইপুরে এক নাবালিকাকে অপহরণ করে নৃশংস অত্যাচার ও খুনের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনার মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল মঙ্গলবার রাতে পুলিশি এনকাউন্টারে খতম হল। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালায় প্রভাস। আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালাতে বাধ্য হয় পুলিশও। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই মামলায় ইতিমধ্যেই চতুর্থ অপরাধীও পুলিশের জালে ধরা পড়েছে।

​অপরাধের পুনর্নির্মাণ ও এনকাউন্টার

​পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনার তদন্ত ও সূত্র মেলাতে মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায় বারুইপুর থানার পুলিশ দল। কীভাবে নাবালিকাকে অপহরণ করা হয়েছিল এবং কীভাবে তার ওপর নৃশংস অত্যাচার চালিয়ে খুন করা হয়, তার হুবহু বিবরণ (রিকনস্ট্রাকশন) নেওয়া হচ্ছিল।

​অভিযোগ, সেই সময়েই পুলিশের নজর এড়িয়ে আচমকা এক পুলিশকর্মীর সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেয় প্রভাস। পুলিশকে লক্ষ্য করে সে এক রাউন্ড গুলিও চালায়। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে এবং আত্মরক্ষার স্বার্থে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ বাহিনী। পুলিশের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে প্রভাস। রক্তাক্ত ও গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

​সোমবারের সেই নৃশংস ঘটনা

​ঘটনার সূত্রপাত সোমবার। বারুইপুরের এক জনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে এক নাবালিকাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় প্রভাস ও তার দলবল। এরপর একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ওই নাবালিকার ওপর চলে অমানুষিক ও নৃশংস শারীরিক অত্যাচার। পাশবিক নির্যাতনের পর প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে তাকে খুন করা হয়।

​পরবর্তীকালে ওই নাবালিকার রক্তাক্ত ও ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হতেই ফুঁসে ওঠে গোটা এলাকা। স্থানীয় মানুষজন দোষীদের কঠোরতম শাস্তির দাবিতে সরব হন। ঘটনার নৃশংসতা দেখে স্তম্ভিত হয়ে যায় পুলিশ প্রশাসনও। তড়িঘড়ি তদন্তে নেমে মূল মাথা হিসেবে প্রভাস মণ্ডলের নাম উঠে আসে এবং তাকে গ্রেফতার করা হয়।

​পুলিশের জালে চতুর্থ অপরাধী, গ্রেফতার আরও ২০

​বারুইপুরের এই নৃশংস ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, এর পেছনে একটি বড় চক্র কাজ করছিল। তদন্তের গতি বাড়িয়ে পুলিশ এই মামলার চতুর্থ অপরাধীকেও ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। তাকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পুলিশি পদক্ষেপ:

নাবালিকার দেহ উদ্ধারের পর থেকেই বারুইপুর চত্বরে জনতা ও পুলিশের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। উত্তেজিত জনতা পুলিশের ওপর চড়াও হয় এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এবং এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর দায়ে এখনও পর্যন্ত ২০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

​বর্তমানে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি থমথমে হলেও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি জেলা পুলিশ প্রশাসনের। মূল অভিযুক্তের মৃত্যুর পর এখন বাকি অপরাধীদের কঠোর শাস্তির অপেক্ষায় নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।


No comments