Annapurna Yojana : অভিযোগ উঠলেই কড়া তদন্ত, অন্নপূর্ণা যোজনায় ‘অযোগ্য’ উপভোক্তা চিহ্নিত হলেই এবার সরাসরি ভাতা বন্ধ ! - Newz Bangla

Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

Annapurna Yojana : অভিযোগ উঠলেই কড়া তদন্ত, অন্নপূর্ণা যোজনায় ‘অযোগ্য’ উপভোক্তা চিহ্নিত হলেই এবার সরাসরি ভাতা বন্ধ !

পঞ্চায়েত ও ব্লক স্তরে আলাদা পোর্টালে থাকবে উপভোক্তাদের তালিকা, স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কড়া পদক্ষেপ সরকারেরনিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তাদের ‘যোগ্যতা’ নিয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবার এক নজিরবিহীন ও কঠোর পদক্ষেপ …

 


পঞ্চায়েত ও ব্লক স্তরে আলাদা পোর্টালে থাকবে উপভোক্তাদের তালিকা, স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কড়া পদক্ষেপ সরকারের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তাদের ‘যোগ্যতা’ নিয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবার এক নজিরবিহীন ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করল রাজ্য সরকার। প্রকল্পের সুবিধা যাতে কোনওভাবেই অপব্যবহার না হয় এবং প্রকৃত অভাবী মানুষই যাতে এই সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এখন থেকে পঞ্চায়েত ও ব্লক স্তরে আলাদা আলাদা নির্দিষ্ট পোর্টালে অন্নপূর্ণা যোজনার সমস্ত উপভোক্তাদের নাম ও বিস্তারিত তালিকা প্রকাশ করা হবে।

​এই তালিকায় থাকা কোনও উপভোক্তার যোগ্যতা নিয়ে যদি কোনও সাধারণ নাগরিক বা মহলের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ কিংবা সন্দেহ প্রকাশ করা হয়, তবে প্রশাসন আর সময় নষ্ট করবে না। অভিযোগ জমা পড়ামাত্রই তৎক্ষণাৎ ঘটনার গভীরে গিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শুরু করা হবে। তদন্ত চলাকালীন বা প্রাথমিক তদন্তে যদি কোনও উপভোক্তাকে ‘অযোগ্য’ বা ‘সন্দেহজনক’ বলে মনে হয়, তবে তাঁর অ্যাকাউন্টে সরকারি অনুদান পাঠানো বা ভাতা প্রদান অবিলম্বে বন্ধ করে দেওয়া হবে।

​নবান্ন সূত্রের খবর, "রাজ্যের টাকা কোনও ব্যক্তি বা দলের নয়, এটি সাধারণ করদাতার টাকা। ফলে কেবলমাত্র উপযুক্ত ও যোগ্য মানুষই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। কোনও অযোগ্য ব্যক্তি যাতে সরকারি সুযোগ-সুবিধা না পান, তা নিশ্চিত করতেই এই পোর্টালে তালিকা প্রকাশ ও তদন্তের কড়া ব্যবস্থা।"

​সম্প্রতি নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠান থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ১ কোটি ৯ লক্ষ ৫৩ হাজার ৩৭৮ জন মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার ৩ হাজার টাকা করে পাঠানোর কর্মসূচির সূচনা করা হয়েছিল। সেখান থেকেই এই কড়া বার্তার কথা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, ভুলবশত বা জালিয়াতি করে যদি কোনও অযোগ্য ব্যক্তি এই প্রকল্পের সুবিধা নিয়ে থাকেন, তবে তা ‘শুধরে’ নেওয়ার লক্ষ্যেই এই নির্দিষ্ট পোর্টাল চালু করা হচ্ছে। এই পোর্টালে প্রত্যেক গ্রাম পঞ্চায়েত বা পুর এলাকার ওয়ার্ডভিত্তিক উপভোক্তার নাম সংরক্ষিত থাকবে, যা দেখে সাধারণ মানুষও অযোগ্যদের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারবেন।

​মুখ্য সচিব মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, অভিযোগের সারবত্তা থাকলে এক মাসের মধ্যেই তা যাচাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কোনও রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো চলবে না। প্রশাসন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, কোনও যোগ্য আবেদনকারী যেন বঞ্চিত না হন, আবার একই সঙ্গে ভুয়ো উপভোক্তাদের চিহ্নিত করে সরকারি তহবিলের অপচয় রোধ করাই এই নতুন ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য।


No comments