Private Tution : HS ও প্রবেশিকা পরীক্ষার মুখে বড়সড় সংকটের মুখে রাজ্যের পড়ুয়ারা, নিষেধাজ্ঞার কড়াকড়িতে উধাও প্রাইভেট টিউটর, ফিরবে কি বাম আমলের ‘এক্সট্রা ক্লাস’? - Newz Bangla

Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

Private Tution : HS ও প্রবেশিকা পরীক্ষার মুখে বড়সড় সংকটের মুখে রাজ্যের পড়ুয়ারা, নিষেধাজ্ঞার কড়াকড়িতে উধাও প্রাইভেট টিউটর, ফিরবে কি বাম আমলের ‘এক্সট্রা ক্লাস’?

Newz Bangla Desk : সরকারি বিদ্যালয়গুলির শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রাইভেট টিউশন বা গৃহশিক্ষকতা নিষিদ্ধ করার নির্দেশিকা এ রাজ্যে নতুন কিছু নয়। পূর্ববর্তী তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমল থেকেই এই সংক্রান্ত আইনি নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। কিন্তু ওয়া…

 


Newz Bangla Desk : সরকারি বিদ্যালয়গুলির শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রাইভেট টিউশন বা গৃহশিক্ষকতা নিষিদ্ধ করার নির্দেশিকা এ রাজ্যে নতুন কিছু নয়। পূর্ববর্তী তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমল থেকেই এই সংক্রান্ত আইনি নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। কিন্তু ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পূর্বে এই নিয়মের কড়াকড়ি বা কঠোর প্রয়োগ সেভাবে দেখা যায়নি। তবে সম্প্রতি প্রশাসনিক স্তরে কড়াকড়ি শুরু হতেই এই নির্দেশিকাকে অত্যন্ত কঠোরভাবে কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

​প্রশাসন সূত্রের খবর, সরকারি বেতনভোগী শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশনের ওপর কড়া নজরদারি ও আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এই কঠোর মনোভাব টের পেয়ে এবং চাকরি হারানোর চরম আশঙ্কায় কাঁথি মহকুমা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের অসংখ্য সরকারি স্কুল শিক্ষক তড়িঘড়ি গৃহশিক্ষকতা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন। কিন্তু শিক্ষাবর্ষের ঠিক মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎ করে এভাবে পঠনপাঠন ও টিউশন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গভীর সংকটে পড়েছে সাধারণ পড়ুয়ারা।

​বিশেষ করে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী মিলিয়ে যা সামগ্রিকভাবে তৃতীয়) সেমিস্টার পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর (সোমবার) থেকে। এই সমস্ত পরীক্ষার্থীদের কপালে এখন চিন্তার ভাঁজ স্পষ্ট। উচ্চমাধ্যমিকের নতুন সেমেস্টার ভিত্তিক সিলেবাস সম্পূর্ণ করা থেকে শুরু করে সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা যেমন জয়েন্ট এন্ট্রান্স (JEE) বা নিট (NEET)-এর প্রস্তুতি নেওয়ার ক্ষেত্রে বহু পড়ুয়াই এই দক্ষ ও অভিজ্ঞ সরকারি শিক্ষকদের ওপর নির্ভরশীল ছিল। আচমকা এই ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় তাদের প্রস্তুতি মাঝপথে থমকে গিয়েছে।

​নিচু ক্লাসের পড়ুয়ারা কোনোমতে বিকল্প প্রাইভেট টিউশনের ব্যবস্থা করতে পারলেও, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীরা এই শেষ মুহূর্তে এসে উপযুক্ত ও অভিজ্ঞ শিক্ষকের সন্ধান পাচ্ছে না বলে জানিয়েছে। ফলে সিলেবাস ও পরীক্ষা প্রস্তুতি নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম অনিশ্চয়তা।

বাম আমলের রীতির দাবি অভিভাবকদের:

অভিভাবকদের অনেকেরই মতে, গৃহশিক্ষকতার ওপর শিক্ষার্থীদের এই বিপুল নির্ভরশীলতা কমাতে রাজ্য সরকারেরই বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ করা উচিত। সমস্ত বিদ্যালয়ে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের পড়ুয়াদের জন্য পঠনপাঠনের সময়সীমা বৃদ্ধি এবং অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করার দাবি তুলেছেন তারা। প্রবীণ অভিভাবকদের একাংশ মনে করিয়ে দিচ্ছেন, বাম আমলে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য স্কুল ছুটির পরেও এই ধরনের বিশেষ অতিরিক্ত ক্লাসের সার্থক চল ছিল।

​প্রধান শিক্ষকদের সংগঠন 'অ্যাডভান্স সোসাইটি ফর হেডমাস্টার অ্যান্ড হেডমিস্ট্রেস অ্যাসোসিয়েশন'-এর জেলা সম্পাদক মৃন্ময় মাজি এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, "ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কোনো রকম পড়াশোনার সমস্যায় না পড়ে, তার জন্য অবিলম্বে বিদ্যালয়গুলোতে পঠনপাঠনের সময়সীমা বাড়ানো হোক। একই সঙ্গে সরকারি স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কীভাবে পাঠদান সম্পন্ন করছেন, তার ওপর শিক্ষা দপ্তরের নিয়মিত ও নিবিড় নজরদারি চালানো উচিত।"


No comments