নিউজবাংলা | কাঁথি : রাজ্যজুড়েভোটারতালিকায়বিশেষনিবিড়সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়াচলছে।আরসেইআবহেইনির্বাচনকমিশনেরনিযুক্তএকবুথস্তরেরআধিকারিক (বিএলও) খোদশাসকদলেরওয়ার্ডসভাপতিনির্বাচিতহওয়ায়তীব্রবিতর্কদানাবেঁধেছেকাঁথিতে।ঘটনাচক্রে, ওইবিএলওযেও…
নিউজবাংলা | কাঁথি : রাজ্য জুড়ে ভোটার
তালিকায় বিশেষ
নিবিড়
সংশোধন
(এসআইআর)
প্রক্রিয়া চলছে।
আর
সেই
আবহেই
নির্বাচন কমিশনের নিযুক্ত এক
বুথ
স্তরের
আধিকারিক (বিএলও)
খোদ
শাসকদলের ওয়ার্ড
সভাপতি
নির্বাচিত হওয়ায়
তীব্র
বিতর্ক
দানা
বেঁধেছে কাঁথিতে। ঘটনাচক্রে, ওই
বিএলও
যে
ওয়ার্ডের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন, সেটি
রাজ্যের বিরোধী
দলনেতা
শুভেন্দু অধিকারীর বাসভবন
‘শান্তিকুঞ্জ’-এর
এলাকা।
নিয়ম
অনুযায়ী, ভোটার
তালিকা
সংশোধনের মতো
গুরুত্বপূর্ণ ও
স্পর্শকাতর কাজে
সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ সরকারি
কর্মচারী বা
আধিকারিকদের নিয়োগ
করার
কথা।
কিন্তু
কাঁথি
পুরসভার ১৫
নম্বর
ওয়ার্ডে বিএলও
হিসেবে
কাজ
করা
গোপালচন্দ্র দাসকে
তৃণমূলের ওই
ওয়ার্ডের সভাপতি
ঘোষণা
করায়
প্রশ্ন
উঠেছে—
এক
জন
সক্রিয়
দলীয়
পদাধিকারী কীভাবে
নির্বাচন কমিশনের কাজে
নিরপেক্ষতা বজায়
রাখবেন?
বৃহস্পতিবার কাঁথি
সাংগঠনিক জেলা
তৃণমূলের সভাপতি
পীযূষকান্তি পণ্ডা
২১টি
ওয়ার্ডের সভাপতিদের নাম
ঘোষণা
করেন।
সেই
তালিকায় ১৫
নম্বর
ওয়ার্ডের সভাপতি
হিসেবে
নাম
রয়েছে
পেশায়
শিক্ষক
গোপালবাবুর। এই
ঘোষণা
সামনে
আসতেই
শোরগোল
পড়ে
গিয়েছে
শহর
জুড়ে।
বিজেপির কাঁথি
জেলা
সাধারণ
সম্পাদক চন্দ্রশেখর মণ্ডলের দাবি,
“এসআইআরের কাজ
এখনও
বাকি।
তার
আগে
কমিশনের কাজে
যুক্ত
কেউ
যদি
কোনও
রাজনৈতিক দলের
পদাধিকারী হন,
তবে
তাঁর
নিরপেক্ষতা নিয়ে
প্রশ্ন
উঠবেই।
প্রশাসনের উচিত
বিষয়টি
গুরুত্ব দিয়ে
দেখা।”
যদিও
অভিযোগ
উড়িয়ে
দিয়েছেন জেলা
তৃণমূল
সভাপতি
পীযূষকান্তি পণ্ডা।
তাঁর
বক্তব্য, “এসআইআরের কাজ
শেষ
হয়ে
গিয়েছে। তাই
উনি
দলের
ওয়ার্ড
সভাপতি
হয়েছেন। এখানে
বিতর্কের কোনও
অবকাশ
নেই।”
বিতর্ক
শুধু
১৫
নম্বর
ওয়ার্ডেই সীমাবদ্ধ নেই।
২
নম্বর
ওয়ার্ডে দীর্ঘদিনের সভাপতি
অভিজিৎ
দাসকে
সরিয়ে
দেওয়ায়
দলের
অন্দরে
ক্ষোভ
ছড়িয়েছে। সম্প্রতি একটি
বৈঠকে
পুরসভার চেয়ারম্যান সুপ্রকাশ গিরির
বিরোধী
শিবিরের নেতা
হিসেবে
পরিচিত
শেখ
সাত্তারের উপস্থিতি ঘিরেই
এই
রদবদল
বলে
মনে
করছে
ওয়াকিবহাল মহল।
আগামী
বিধানসভা নির্বাচনে দক্ষিণ
কাঁথি
কেন্দ্রে সাত্তার এবং
সুপ্রকাশ— দু’জনেই টিকিটপ্রত্যাশী হওয়ায়
সংঘাত
আরও
তীব্র
হয়েছে।
অন্যদিকে, ১১
নম্বর
ওয়ার্ডে সঞ্জয়
প্রহরাজকে সভাপতি
করা
নিয়েও
অসন্তোষ দেখা
দিয়েছে। অভিযোগ,
গত
পুরসভা
নির্বাচনে নির্দল
প্রার্থীর হয়ে
কাজ
করা
ব্যক্তিদের গুরুত্ব দেওয়া
হয়েছে।
যা
নিয়ে
দলের
একাংশ
সামাজিক মাধ্যমেও ক্ষোভ
উগরে
দিয়েছেন।
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রাম ও দক্ষিণ কাঁথির জন্য ‘কোর কমিটি’ মডেল তৈরি করেছে তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্ব। তবে কাঁথি শহরের সেই কোর কমিটিতে মূলত রামনগরের বিধায়ক অখিল গিরি ঘনিষ্ঠদেরই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে বলে শাসকদলের অন্দরে গুঞ্জন তুঙ্গে।
#WestBengalPolitics #TMC #ContaiNews #Kanthi #ElectionCommission #PoliticalControversy #NewzBangla

No comments