নিউজবাংলা, নন্দীগ্রাম:সাতইজানুয়ারিরসকালেফেরতেতেউঠলনন্দীগ্রামেরসোনাচূড়া।২০০৭-এররক্তঝরাআন্দোলনেরস্মৃতিতর্পণেএসেমুখ্যমন্ত্রীমমতাবন্দ্যোপাধ্যায়কেবেনজিরভাষায়আক্রমণশাণালেনবিরোধী (Nandigram)দলনেতাশুভেন্দুঅধিকারী।মমতাবন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘…
নিউজবাংলা, নন্দীগ্রাম: সাতই জানুয়ারির সকালে ফের তেতে উঠল নন্দীগ্রামের সোনাচূড়া। ২০০৭-এর রক্তঝরা আন্দোলনের স্মৃতি তর্পণে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেনজির ভাষায় আক্রমণ শাণালেন বিরোধী (Nandigram) দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘পৃথিবীর সব থেকে বড় গদ্দার’ বলে তোপ দাগার পাশাপাশি নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সব থেকে বড় ‘সুবিধাবাদী’ (বেনিফিশিয়ারি) হিসেবেও মুখ্যমন্ত্রীকে দেগে দিয়েছেন তিনি। পাল্টা ভাঙাবেড়া থেকে শুভেন্দুকে এলাকা ছাড়া করার ডাক দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।
বুধবার
সকালে
সোনাচূড়ার শহীদ
বেদীতে
মাল্যদান করতে
যান
শুভেন্দু অধিকারী। ২০০৭
সালের
এই
দিনেই
ভাঙাভেড়া ব্রিজের কাছে
তৎকালীন সিপিএমের ‘হার্মাদ’ বাহিনীর গুলিতে
প্রাণ
হারিয়েছিলেন সেলিম,
ভরত
ও
বিশ্বজিতের মতো
আন্দোলনকারীরা। সেই
শহীদের
রক্তে
ভেজা
মাটিতে
দাঁড়িয়ে শুভেন্দু বলেন,
“নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সব
থেকে
বড়
বেনিফিশিয়ারি হলেন
মমতা
বন্দ্যোপাধ্যায়। এই
আন্দোলনের হাত
ধরেই
তিনি
মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। অথচ
জেতার
পর
গত
পাঁচ
বছরে
একবারও
এই
মাটিতে
পা
রাখার
প্রয়োজন বোধ
করেননি
তিনি।”
এখানেই
ক্ষান্ত হননি
শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রীর অতীত
রাজনৈতিক সফরের
প্রসঙ্গ টেনে
তিনি
বলেন,
“তিনি
রাজীব
গান্ধী
থেকে
অটল
বিহারী
বাজপেয়ী— সবার
সঙ্গে
বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। উনি
আন্দোলনের কেস
তুলে
নেওয়ার
কথা
বললেও
ত্রুটিযুক্ত ধারার
কারণে
হাইকোর্ট তা
বাতিল
করে
দিয়েছে।” তৃণমূল
নেতাদের পরিবারতন্ত্র ও
দুর্নীতি নিয়ে
সরব
হয়ে
তাঁর
দাবি,
স্থানীয় নেতারা
নিজেদের আত্মীয়
ও
ছেলে-বউদের চাকরি পাইয়ে
দিয়েছেন, কিন্তু
সাধারণ
শহীদ
পরিবারগুলোর খোঁজ
নেননি।
এদিন
শুভেন্দু স্পষ্ট
করে
দেন,
তিনি
নিজেকে
নন্দীগ্রামের ‘আত্মীয়’
মনে
করেন।
তাঁর
কথায়,
“আমি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের (নাম না করে) মত সবার
মুখ্যমন্ত্রী চাই।
মমতা
বন্দ্যোপাধ্যায় সেটা
হতে
পারেননি। নন্দীগ্রামে রামমন্দির তৈরি
হয়ে
গেলে
আমি
এখানেই
এসে
থাকব।”
নিজেকে
আন্দোলনের নিঃস্বার্থ কর্মী
দাবি
করে
তিনি
বলেন,
“শহীদ
মিনারে
রাত
কাটিয়ে
আমি
কোনও
লাভ
ঘরে
তুলিনি।”
শুভেন্দুর এই
কড়া
আক্রমণের পাল্টা
জবাব
দিয়েছে
তৃণমূল
শিবিরও। সোনাচূড়া থেকে
ঢিল
ছোড়া
দূরত্বে ভাঙাবেড়াতে পৃথকভাবে শহীদ
দিবস
পালন
করে
শাসক
দল।
আবু
সুফিয়ানদের নেতৃত্বে আয়োজিত
এই
সভায়
মোমবাতি মিছিল
করে
শহীদদের শ্রদ্ধা জানানো
হয়।
তৃণমূল
নেতৃত্বের অভিযোগ,
শুভেন্দু অধিকারী সুবিধামতো দলবদল
করে
এখন
আন্দোলনের কৃতিত্ব ছিনিয়ে
নিতে
চাইছেন। ভাঙাবেড়ার সভা
থেকে
আগামী
বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দুকে নন্দীগ্রাম থেকে
‘উৎখাত’
করার
ডাক
দেন
স্থানীয় তৃণমূল
নেতৃত্ব।
কি বলছেন শুভেন্দু অধিকারী দেখে নিন নিউজবাংলা রিপোর্ট :
একদা
আন্দোলনের দুই
সতীর্থ—
শুভেন্দু ও
সুফিয়ান, আজ
রাজনৈতিকভাবে দুই
মেরুতে। তাঁদের
এই
সংঘাতকে কেন্দ্র করে
ভোটের
আগে
ফের
তপ্ত
হল
হলদি
নদীর
তীরের
এই
জনপদ।
#SuvenduVsMamata #TMCvsBJP #PoliticalWarOfWords #GaddarJibe #BengalPolitics #NewzBangla #NandigramBattle
#SuvenduVsMamata #TMCvsBJP #PoliticalWarOfWords #GaddarJibe #BengalPolitics #NewzBangla #NandigramBattle
No comments