Crime Update : খোদ রাজধানীর বুকে পনের বলি অন্তঃসত্ত্বা সোয়াট কমান্ডো, ডাম্বল দিয়ে থেঁতলে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার স্বামী ! - Newz Bangla

Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

Crime Update : খোদ রাজধানীর বুকে পনের বলি অন্তঃসত্ত্বা সোয়াট কমান্ডো, ডাম্বল দিয়ে থেঁতলে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার স্বামী !

নিউজবাংলা : খোদ দেশের রাজধানীর বুকে খাকি উর্দিও বাঁচাতে পারল না একবিংশ শতকের এক নারীকে। পণের দাবিতে বছর সাতাশের এক মহিলা পুলিশ কর্মীকে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগ উঠল তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। মৃতার নাম কাজল চৌধুরী, যিনি দিল্লি পুলিশের ব…


নিউজবাংলা : খোদ দেশের রাজধানীর বুকে খাকি উর্দিও বাঁচাতে পারল না একবিংশ শতকের এক নারীকে। পণের দাবিতে বছর সাতাশের এক মহিলা পুলিশ কর্মীকে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগ উঠল তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। মৃতার নাম কাজল চৌধুরী, যিনি দিল্লি পুলিশের বিশেষ বাহিনী ‘সোয়াট’ (SWAT)-এর কমান্ডো ছিলেন। চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা কাজলকে তাঁর স্বামী অঙ্কুর ডাম্বেল দিয়ে মাথায় আঘাত করে খুন করেছেন বলে অভিযোগ।

ঘটনাটি গত ২২ জানুয়ারির। পশ্চিম দিল্লির এক্সটেনশন গার্ডেন এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে ওই দম্পতি থাকতেন। কাজলের পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই পণের জন্য তাঁর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাত স্বামী অঙ্কুর ও তাঁর পরিবার। গত মঙ্গলবার অত্যাচারের মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে কাজল তাঁর দাদা নিখিলকে ফোন করে সবটা জানান। 

ফোনে কথা চলাকালীনই হানা দেয় অঙ্কুর। রাগের মাথায় নিখিলকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে সে বলে, “এই কলটা রেকর্ড করে রাখ। আমি তোর বোনকে মারছি। পুলিশ আমার কিচ্ছু করতে পারবে না। এই রেকর্ডিংটাই পরে প্রমাণ হিসেবে দিস।” ফোনের ওপারে থাকা দাদা শুধু বোনের আর্তনাদ শুনতে পান। কিছুক্ষণ পর ফোন কেটে যায়। মিনিট কয়েক বাদেই অঙ্কুর ফের ফোন করে ঠান্ডা মাথায় জানায়— কাজল আর নেই।

পরিবার সূত্রে খবর, কাজল ও অঙ্কুরের দেড় বছরের একটি সন্তান রয়েছে। কাজল চার মাসের অন্তঃসত্ত্বাও ছিলেন। বিয়ের সময় সোনা, বাইক এবং নগদ অর্থ দেওয়া হলেও তুষ্ট ছিল না অঙ্কুরের পরিবার। কাজলের দাদা জানিয়েছেন, বিয়ের পর স্বামীর জন্য দামী গাড়ি কিনে দিয়েছিলেন কাজল। ননদদের আর্থিক সুবিধার জন্য নিজের নামে ব্যাঙ্ক থেকে মোটা টাকার ঋণও নিয়েছিলেন তিনি। এত কিছু করার পরেও মাঝেমধ্যেই পণের জন্য চলত অমানুষিক মারধর।

গত ২২ জানুয়ারি গুরুতর আহত অবস্থায় কাজলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। টানা পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে গত ২৭ জানুয়ারি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই দুঁদে পুলিশ কর্মী। অপরাধী স্বামী অঙ্কুরকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের অনুমান, পেশাগতভাবে কমান্ডো হলেও ব্যক্তিগত জীবনে গার্হস্থ্য হিংসার শিকার হয়ে ভিতরে ভিতরে ভেঙে পড়েছিলেন কাজল।

দেশের সুরক্ষায় মোতায়েন থাকা এক কমান্ডো কেন নিজের ঘরেই অসুরক্ষিত রয়ে গেলেন, সেই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে দিল্লির অলিতে গলিতে।

No comments