Census Enumerators : সুমারির কাজে অ্যান্ড্রয়েড ১২ বাধ্যতামূলক, প্রাথমিক শিক্ষকদের ওপর বাড়তি আর্থিক বোঝা সামলাতে সরকারি ফোনের দাবিতে সরব UUPTWA। - Newz Bangla

Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

Census Enumerators : সুমারির কাজে অ্যান্ড্রয়েড ১২ বাধ্যতামূলক, প্রাথমিক শিক্ষকদের ওপর বাড়তি আর্থিক বোঝা সামলাতে সরকারি ফোনের দাবিতে সরব UUPTWA।

Newz Bangla, বাঁকুড়া: রাজ্য জুড়ে শুরু হতে চলা আসন্ন ডিজিটাল জনগণনার (Census) কাজ শুরুর আগেই তৈরি হল চরম বিতর্ক। জনগণনার বিশেষ অ্যাপ ব্যবহারের জন্য এ বার ‘অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন ১২’ (Android Version 12) বা তার উচ্চতর সংস্করণের স্মার্…

 


Newz Bangla, বাঁকুড়া: রাজ্য জুড়ে শুরু হতে চলা আসন্ন ডিজিটাল জনগণনার (Census) কাজ শুরুর আগেই তৈরি হল চরম বিতর্ক। জনগণনার বিশেষ অ্যাপ ব্যবহারের জন্য এ বার ‘অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন ১২’ (Android Version 12) বা তার উচ্চতর সংস্করণের স্মার্টফোন থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 

আর সরকারের এই নতুন নিয়মের জেরেই মাথায় হাত পড়েছে বহু প্রাথমিক শিক্ষক তথা জনগণনাকর্মীদের (Enumerators)। কারণ, তাঁদের অনেকের বর্তমান ফোনটি সচল এবং ভালো অবস্থায় থাকলেও, তাতে অ্যান্ড্রয়েডের পুরোনো সংস্করণ থাকায় এই নতুন সরকারি অ্যাপটি ইনস্টল করা যাচ্ছে না। ফলে শুধুমাত্র এই কাজের জন্যই তাঁদের বাজার থেকে নতুন করে হাজার হাজার টাকা খরচ করে স্মার্টফোন কিনতে হচ্ছে।

​এই পরিস্থিতিতে শিক্ষকদের উপর চেপে বসা অনভিপ্রেত আর্থিক বোঝার প্রতিবাদ জানিয়ে আসরে নেমেছে প্রাথমিক শিক্ষকদের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন ‘উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারী টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’ (UUPTWA)। সংগঠনের বাঁকুড়া জেলা কমিটির পক্ষ থেকে জেলাশাসকের (District Magistrate) কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়ে অবিলম্বে সরকারি উদ্যোগে নিখরচায় বা সাময়িকভাবে জনগণনাকর্মীদের জন্য অ্যান্ড্রয়েড ১২ সমর্থিত স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট প্রদানের জোরালো দাবি জানানো হয়েছে।

"বিশ্ব জুড়ে মেমোরি চিপ শর্টেজের কারণে বর্তমানে বাজারে একটি চলনসই অ্যান্ড্রয়েড ১২ বা তার ওপরের স্মার্টফোনের দাম ২০ হাজার টাকারও গণ্ডি পেরিয়ে গেছে। সরকারি কাজের স্বার্থে কর্মীদের ওপর এই অতিরিক্ত বিপুল আর্থিক বোঝা চাপিয়ে দেওয়া কোনোভাবেই যুক্তিসঙ্গত বা ন্যায়সঙ্গত নয়।"

— অরবিন্দ মণ্ডল, জেলা সম্পাদক, UUPTWA, বাঁকুড়া।

​স্মারকলিপিতে সংগঠনের তরফে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে মেমোরি চিপের তীব্র ঘাটতি বা ‘চিপ শর্টেজ’-এর (Memory Chip Shortage) কারণে স্মার্টফোনের বাজার চড়া। একটি নির্ভরযোগ্য এবং প্রয়োজনীয় কনফিগারেশনের ফোনের দাম এখন প্রায় কুড়ি হাজার টাকার উপরে। এই অগ্নিমূল্যের বাজারে একজন সরকারি কর্মীকে শুধুমাত্র সাময়িক একটি কাজের জন্য নিজস্ব পকেট থেকে এত বড় অঙ্কের টাকা খরচ করতে বাধ্য করা অত্যন্ত অমানবিক। 

কর্মীদের দাবি, যদি ডিজিটাল অ্যাপের মাধ্যমেই কাজ করাতে হয়, তবে সরকার নিজেই সেই পরিকাঠামো বা ডিভাইস সরবরাহ করুক। অন্যথায় এই কাজের সময়সীমার জন্য ডিভাইসগুলি লিজ বা সাময়িক ভিত্তিতে দেওয়া হোক।

​সংগঠনের বাঁকুড়া জেলা সম্পাদক অরবিন্দ মণ্ডল জানান, "শিক্ষকেরা সর্বদা সরকারি দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট। কিন্তু এই মহামারী-উত্তর অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে এবং চিপ সংকটের বাজারে নতুন ফোন কেনার খরচ বহন করা অনেকের পক্ষেই অসম্ভব। আমরা জেলাশাসকের কাছে আবেদন জানিয়েছি যাতে কোনো কর্মীকে যেন নিজের গাঁটের কড়ি খরচ করে এই অফিশিয়াল ডিউটি করতে বাধ্য না করা হয়। আশা করি প্রশাসন এই বাস্তব সমস্যাটি সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করবে।" জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।


No comments