নিউজবাংলা, কলকাতা: এলাকায় অপরাধ হলে তার দায়ভার সরাসরি বর্তাবে থানার গুন্ডা দমনকারী অফিসারের ওপর। এলাকায় কারা তোলাবাজি, গুন্ডাগিরি, দাদাগিরি বা অস্ত্র ব্যবসা করছে, সেই খবর সংগ্রহ করার প্রাথমিক দায়িত্ব তাঁদেরই। শুধু তথ্য সংগ্রহই নয়…
নিউজবাংলা, কলকাতা: এলাকায় অপরাধ হলে তার দায়ভার সরাসরি বর্তাবে থানার গুন্ডা দমনকারী অফিসারের ওপর। এলাকায় কারা তোলাবাজি, গুন্ডাগিরি, দাদাগিরি বা অস্ত্র ব্যবসা করছে, সেই খবর সংগ্রহ করার প্রাথমিক দায়িত্ব তাঁদেরই। শুধু তথ্য সংগ্রহই নয়, সেই তালিকা তাঁদের পেশ করতে হবে ডিসিদের সামনে। এমনকি সমস্ত থানা নিয়ে হওয়া মাসিক ‘ক্রাইম কনফারেন্স’-এও থানার গুন্ডা দমনকারী অফিসারকে ডেকে প্রেজেন্টেশন নেওয়া হবে। মঙ্গলবার কলকাতা পুলিশের সমস্ত থানার ওসি এবং পদস্থ কর্তাদের নিয়ে এক বৈঠকে এই কড়া বার্তা দিলেন নগরপাল অজয় নন্দ।
নগরপাল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, পুলিশি তৎপরতার মূল মাপকাঠি হবে বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ উদ্ধার। যেখানে বেআইনি অস্ত্রের কারখানা চলছে, সেখানে হানা দিয়ে তা গুঁড়িয়ে দিতে হবে। তোলাবাজ থেকে শুরু করে দাগি অপরাধীদের দ্রুত জালে পুরতে হবে। নগরপাল আরও জানান, নির্বাচনের সময় নির্দিষ্ট অভিযোগ এসেছিল যে, আবগারি দফতর বারবার বলা সত্ত্বেও এক থানার ওসি মদ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেননি। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই তাঁকে সরিয়ে দিয়েছে। ওই অফিসারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত ও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
এদিন নগরপাল হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "কোনও এজেন্সি খবর দেওয়ার পরেও যদি তা কার্যকর না করা হয়, তবে সংশ্লিষ্ট অফিসারকে সাসপেনশনের মুখে পড়তে হবে।"
অন্য দিকে, কলকাতা পুলিশের পাশাপাশি বেঙ্গল এসটিএফ-এর কর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন ডিজি জাভেদ শামিম। জেলায় জেলায় বেআইনি অস্ত্র, কার্তুজ উদ্ধার এবং আগ্নেয়াস্ত্র কারখানা ধরার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে মাদক কারবার রুখতেও কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলার পুলিশ সুপারদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে অস্ত্র উদ্ধারের কাজ চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন ডিজি।

No comments