থাইয়ের মাংসপেশি প্রতিস্থাপন সরকারি হাসপাতালে, তিন কেজির টিউমার বাদ দিয়ে কিশোরের পা বাঁচাল মেডিক্যাল ! - Newz Bangla

Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

থাইয়ের মাংসপেশি প্রতিস্থাপন সরকারি হাসপাতালে, তিন কেজির টিউমার বাদ দিয়ে কিশোরের পা বাঁচাল মেডিক্যাল !

নিউজবাংলা ডেস্ক :ডান থাইয়ে বোন ক্যান্সার। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেছিলেন, ক্যান্সার থেকে বাঁচতে হলে বাদ দিতেই হবে ডান পা। হার মানেনি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগ। সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ক্যান্সার আক্রান্ত সেই থাই থ…

 


নিউজবাংলা ডেস্ক : ডান থাইয়ে বোন ক্যান্সার। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেছিলেন, ক্যান্সার থেকে বাঁচতে হলে বাদ দিতেই হবে ডান পা। হার মানেনি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক বিভাগ। সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ক্যান্সার আক্রান্ত সেই থাই থেকে ৩ কেজির ক্যান্সার আক্রান্ত টিউমার বাদ দিল তারা।

শুধু তাই নয়, সেই শূন্যস্থানে প্রতিস্থাপিত করল সেই থাইয়েরই অন্য অংশের মাংসপেশি। এভাবেই রোগীর ডান পা বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। চিকিৎসকদের দাবি, ডান হাঁটু ভাঁজ করা বা চলাফেরা মোটামুটি সব কিছুই এখন করতে পারছে ওই কিশোর। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে।

সূত্রের খবর, রোগীর নাম রাজ সর্দার। বয়স ১৬। বাড়ি হাবড়ায়। ডান পায়ের থাইয়ে বােন ক্যান্সার ধরা পড়ায় তাকে প্রথমে আর জি কর-এ নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসকরা বলেন, ক্যান্সার থেকে বাঁচতে হলে ডান পা বাদ দিতেই হবে। অগত্যা পা বাঁচানোর তাড়নায় রাজ যায় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের অর্থোপেডিক বিভাগে।

পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসকরা সিদ্ধান্তে আসেন, ওই কিশােরকে ক্যান্সারমুক্ত করতে হলে থাইয়ের প্রধান মাংসপেশি ‘কোয়াড্রিসেপস’ বাদ দিতে হবে। কিন্তু সেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটা প্রশ্ন সামনে আসে। তা হল, বিশাল টিউমার সমেত এতটা মাংস বাদ গেলে দাঁড়ানোর জন্য রোগী পায়ের জোর পাবে কীভাবে? স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফেরা দূরের কথা, তেমন ক্ষেত্রে অপারেশনের উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হয়ে যাবে বলে অভিমত সামনে আসে এই চিকিৎসকদের।

অনেক ভেবেচিন্তে উপায় বের করেন তাঁরা। থাইয়েরই একপাশে যেমন রয়েছে কোয়াড্রিসেপস মাংসপেশি, তেমনই অন্যপাশে রয়েছে বাইসেপস ফিমোরিস’ নামে আর একটি মাংসপেশি। ৩ কেজির ‘কোয়াড্রিসেপস’ বাদ দেওয়ার পর সেই ‘বাইসেপস ফিমোরিস’ প্রতিস্থাপিত হল থাইয়ের শূন্যস্থানে। 

অর্থোপেডিক বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ কৌশিক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বাধীন অস্ত্রোপচারকারী টিমের অন্যতম সদস্য ডাঃ সৈকত সাউ বলেন, যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং কাজ ছিল। আমরা সে কথা ছেলেটি ও তার পরিবারকে বলেছিলাম। শেষমেশ সব ঠিকঠাক হয়েছে। ওর পায়ের অবস্থা এখন অনেকটাই ভালো। সোমবার সন্ধ্যায় রাজের পিসি মামনি সর্দার বলেন, ভাবতেই পারছি না রাজের পা বাঁচানাো গিয়েছে! অপারেশনের পর ও এখন পা ভাঁজও করতে পারছে। প্রচুর ধন্যবাদ ডাক্তারবাবুদের।

মোবাইলে নিউজ আপডেটপেতে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যোগ দিন, ক্লিক করুন Whatsapp

No comments