আজ বিজেপি নেতা মেঘনাদ পালের স্ত্রীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে সমবায় ব্যাঙ্কের বোর্ড অফ ডিরেক্টরদের বৈঠক ! - Newz Bangla

Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

আজ বিজেপি নেতা মেঘনাদ পালের স্ত্রীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে সমবায় ব্যাঙ্কের বোর্ড অফ ডিরেক্টরদের বৈঠক !

নিউজবাংলা, তমলুক : জাল নথি দিয়ে সমবায় ব্যাঙ্কে পদোন্নতি পাওয়ায় অভিযুক্ত বিজেপি নেতা মেঘনাদ পালের স্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর হতেই তিনি বেপাত্তা হয়ে গিয়েছেন। এই অবস্থায় অভিযুক্ত ব্যাঙ্ক ম্যানেজার মহুয়া জানা পালের বিরুদ্ধে বিভা…

 


নিউজবাংলা, তমলুক : জাল নথি দিয়ে সমবায় ব্যাঙ্কে পদোন্নতি পাওয়ায় অভিযুক্ত বিজেপি নেতা মেঘনাদ পালের স্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর হতেই তিনি বেপাত্তা হয়ে গিয়েছেন। এই অবস্থায় অভিযুক্ত ব্যাঙ্ক ম্যানেজার মহুয়া জানা পালের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে আজ ১৯মে তমলুক কোঅপারটিভ এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্কে বোর্ড অব ডিরেক্টরের বিশেষ বৈঠক ডাকা হল। আগেই তাঁকে শোকজ করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবারের বৈঠকে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

২০০২ সালে গ্রেড-৪ কর্মী হিসেবে তমলুক কোঅপারেটিভ এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্কে যোগ দেন মহুয়াদেবী। তখন ন্যূনতম যোগ্যতায় ওই চাকরি পান। পরবর্তী সময়ে প্রমোশনের জন্য স্নাতক পাশের সার্টিফিকেট ও মার্কশিট জমা করেন। প্রমোশন পেয়ে মহুয়াদেবী ওই ব্যাঙ্কের নন্দীগ্রাম শাখার ম্যানেজার হন। পদোন্নতির জন্য জমা দেওয়া সেই সার্টিফিকেট জাল বলে ব্যাঙ্কের চিফ এগজিকিউটিভ অফিসারের এক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ মার্চ রিপোর্ট দিয়েছেন গুয়াহাটি ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার। তারপরই মহুয়াদেবীর বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়।

গত ১০মে মহুয়াদেবীর বিরুদ্ধে তমলুক থানায় এফআইআর হয়। তারপর থেকেই তিনি পলাতক। তমলুক থানার পুলিস অভিযুক্তের খোঁজে নন্দীগ্রাম থানার হরিপুর গ্রামে তাঁর বাড়িতে হানা দিয়েছিল। এমনকী, বিধায়ক কার্যালয়েও অভিযান চালানো হয়েছে। কিন্তু কোথাও মহুয়াকে পাওয়া যায়নি। এই অবস্থায় ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ আইনি পরামর্শ নিয়ে অভিযুক্ত ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চলেছে। আজকের বৈঠকে এনিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

বর্তমান পত্রিকার রিপোর্ট অনুযায়ী স্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর এবং পুলিসি অভিযান শুরু হতেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মহুয়াদেবীর স্বামী তথা বিজেপি নেতা মেঘনাদ পাল। তিনি বলেন, এধরনের সার্টিফিকেট দিয়ে আরও কয়েকজন প্রমোশন পেয়েছেন। তিনজনের ক্ষেত্রে আরটিআই করা হয়েছিল। তিনজনের একই রিপোর্ট এসেছে। কিন্তু ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ দু’জনের রিপোর্ট চেপে শুধুমাত্র আমার স্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। আমি বিজেপি করার কারণেই এই প্রতিহিংসা। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের সাহস থাকলে আরও দু’জনের রিপোর্ট সামনে আনুক।

ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান সত্যরঞ্জন সাউ বলেন, ১৯মে ব্যাঙ্কে একটি বর্ধিত সভা ডাকা হয়েছে। সেখানে মহুয়াদেবীর বিরুদ্ধে ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে যে ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার নিয়ম আছে, তা নেওয়া হবে। এফআইআরের পর তিনি পলাতক। পুলিস তাঁকে জেরা করার জন্য খোঁজাখুঁজি করেও পাচ্ছে না। এই অবস্থায় আমাদের ব্যাঙ্কে কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা যায় কি না, সেনিয়েও আলোচনা হবে।

মোবাইলে নিউজ আপডেটপেতে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যোগ দিন, ক্লিক করুন Whatsapp

No comments