অন্ধ্রের পর এবার উড়িষ্যা, সাংবাদিক নিগ্রহের চরম সীমা অতিক্রম করল পুলিশ, স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের মানবাধিকার কমিশনের ! - Newz Bangla

Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

অন্ধ্রের পর এবার উড়িষ্যা, সাংবাদিক নিগ্রহের চরম সীমা অতিক্রম করল পুলিশ, স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের মানবাধিকার কমিশনের !

 


নিউজবাংলা ডেস্ক : অন্ধ্রের পর এবার উড়িষ্যা, ক্রমেই সাংবাদিক নিগ্রহের চরম সীমা অতিক্রম করছে একের পর রাজ্যের পুলিশ। স্বার্থে ঘা লাগলেই ঢাল তরোয়াল হীন কলমচিদের ধরে এনে অত্যাচার চালানো একটা ঐতিহ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্ধ্রে যেখানে সরকার বিরোধী বিক্ষোভের খবর কভার করতে যাওয়া সাংবাদিককে ধরে এনে মারধরের পর অর্ধনগ্ন করে সেই ছবি ভাইরাল করা হয়েছে সেখানে উড়িষ্যায় আবার একধাপ এগিয়ে এক সাংবাদিককে বেধড়ক মেরে তার পায়ে বেড়ি পরিয়ে হাসপাতালের মেঝেয় ফেলে রাখা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে উড়িষ্যার বালেশ্বর জেলার নীলগিরি থানা এলাকায়। লোকনাথ দলাই নামের এক সাংবাদিকের সঙ্গে এলাকার এক হোমগার্ডের ঝামেলাকে কেন্দ্র করে সমস্যার সূত্রপাত ঘটে। গত বুধবার লোকনাথের সঙ্গে নীলগিরি থানার ওই হোমগার্ডে সামান্য ধাক্কা লাগে। এরপরেই তাঁর বিরুদ্ধে থানায় এফআই করে লোকনাথকে তুলে আনা হয়। তবে পথে বুকে ব্যাথা অনুভব করায় লোকনাথকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেই মেঝেতে পায়ে বেড়ি পরিয়ে তাঁকে ফেলে রাখা হয়।

এই ঘটনার ছবি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরেই উড়িষ্যা রাজ্য জুড়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সংবাদ মাধ্যমের কর্মীরা। এই ঘটনায় জড়িত অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারীক ও কর্মীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন সংবাদ মাধ্যমের কর্মীরা। ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাংবাদিকের ওপর এমন অমানবিক ঘটনা সব সীমা লঙ্ঘন করেছে বলেই সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের দাবী। ইতিমধ্যে এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এরই পাশাপাশি গোটা ঘটনায় চরম উদ্বিগ্ন মানবাধিকার কমিশনও এই নিয়ে রিপোর্ট তলব করেছে বলে জানা গেছে।

বর্তমান পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টে দাবী করা হয়েছে, বালেশ্বর ইস্টার্ন রেঞ্জের আইজির কাছে এই ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে মানবাধিকার কমিশন। সূত্রের খবর, কিছুদিন আগেই পুলিশ ও হোমগার্ডদের বিরুদ্ধে খবর করে তাঁদের চক্ষুশূল ছিল লোকনাথ। এদিন হাতের কাছে লোকনাথকে পেয়ে নিজেদের রাগ মেটাতে চাইছিল পুলিশ, এমনটাই দাবী এলাকার সংবাদকর্মীদের। কিন্তু অমানবিক ভাবে এভাবে তাঁর পায়ে বেড়ি পরিয়ে হাসপাতালে ফেলে রাখার ঘটনা মেনে নিতে পারছে না কেউই। 

No comments