মর্মান্তিক, উত্তরাখন্ডে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় নিখোঁজ মহিষাদলের ৩ যুবক ! - Newz Bangla

Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

মর্মান্তিক, উত্তরাখন্ডে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় নিখোঁজ মহিষাদলের ৩ যুবক !

 


নিউজবাংলা ডেস্ক : উত্তরাখন্ডে পাহাড়ের মাথায় ভয়াবহ তুষারধ্বসে যে মারাত্মক হড়পা বান এসেছিল সেই সময়ই ঋষিগঙ্গা পাওয়ার প্রোজেক্টে কর্মরত পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদল থানা এলাকার ৩ যুবকও নিখোঁজ হয়ে গিয়েছে বলে দাবী তাঁদের পরিবারের।

নিখোঁজ ৩ যুবক হলেন মহিষাদল থানার লক্ষ্যা গ্রামের বাসিন্দা লালু জানা (৩০) ও তাঁর ভাই বুলু জানা (২৯) এবং চকদ্বারিবেড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা সুদীপ গুড়িয়া (২৭)।

রবিবার যে সময় দুর্ঘটনা ঘটে সেই সময় এই ৩ জন পাওয়ার প্রোজেক্টের ভেতর কাজ করছিল বলে জানা গেছে। এই মুহূর্তে নিখোঁজ ৩ পরিবারের একটাই প্রার্থনা তাঁদের পরিবারের সদস্যরা যেন সুস্থ হয়ে ফিরে আসে। তবে সময় যত এগিয়ে চলেছে সেই আশা ক্রমেই ক্ষিণ হতে শুরু করেছে। কান্নার রোল উঠেছে পরিবারগুলিতে।

নিখোঁজ সুদীপের দাদা বৈদ্যনাথ জানিয়েছেন, পরিবারে রয়েছে তাঁরা দুই ভাই এবং বাবা ও মা। বাবা পেশায় হলদিয়ার ঠিকা সংস্থার কর্মী, তাঁর একটি ছোটখাট ব্যবসা রয়েছে আর ছোট ভাই প্রায় বছর ২ ধরে স্থানীয় ঠিকাদার লালু জানা'র হাত ধরে ঋষিগঙ্গা পাওয়ার প্রোজেক্টে ওম মেটাল নামের একটি সংস্থায় কাজ করছে।

গতবছর বাড়ি এলেও লকডাউনের আগেই কাজে চলে গিয়েছিল। আর মাত্র দিন চারেক পরেই ভাইয়ের বাড়ি ফেরার কথা ছিল বলেই কান্না ভেজা গলায় জানিয়েছে বৈদ্যনাথ। বৈদ্যনাথ জানিয়েছে, এই এলাকা থেকে বেশ কয়েকজন যুবক ওই পাওয়ার প্রোজেক্টে কাজ করছে।

গত শনিবার রাতে পরিবারের সঙ্গে শেষবার কথা হয়েছে সুদীপের। রবিবার দুর্ঘটনার কথা শোনার পর থেকেই উদ্বিগ্ন পরিবার সুদীপ সহ অন্যান্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারে, রবিবার ছুটির দিন হলেও অতিরিক্ত পারিশ্রমিকের জন্য লালু, বুলু ও সুদীপ কাজে গিয়েছিল। যদিও ওই সময় অন্য এক যুবক মেসে থেকে গিয়েছে। সেই জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর থেকে ওদের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।

এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন পরিবারগুলি এই মুহূর্তে মহিষাদল থানা সহ বিডিও অফিসে যোগাযোগ করে নিখোঁজদের উদ্ধারের আবেদন জানিয়েছে। স্থানীয় চকদ্বারিবেড়িয়া গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্য স্বপন দাস ইতিমধ্যে এই বিষয়ে তদারকি শুরু করে দিয়েছেন। যে কোনও মূল্যে এই ৩ জন বাড়ি ফিরে আসুক এই প্রার্থনাই এখন করছে পরিবারগুলি।

 

No comments