Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

নেতা-মন্ত্রী নীরব, এবার মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে কাতর আবেদন হলদিয়ার কাজ হারানো ভোজ্যতেল সংস্থার কর্মীদের !

 

নিউজবাংলা ডেস্ক, হলদিয়া : করোনার আবহে এমনিতেই নাভিশ্বাস সাধারণ মানুষের। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম ক্রমেই অগ্নিমূল্য হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে চরম দুর্দশায় পড়েছেন হলদিয়ার ভোজ্যতেল প্রস্তুতকারী সংস্থা জেভিএল-এর শতাধিক কর্মীরা।

শ্রমিকদের দাবী, মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে ২০১২ সালে হলদিয়ায় কাজ শুরু করেছিল জেভিএল অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। শুরু থেকে বেশ রমরমিয়ে চললেও ক্রমেই তাদের কঙ্কালসার চেহারা সামনে আসতে থাকে। জানা যায়, ব্যাঙ্ক থেকে বিপুল টাকা ঋণ নিয়েও তা পরিশোধ না করায় ২০১৮ সালে কারখানাটিকে দেউলিয়া ঘোষণা করা হয়।

সেই সঙ্গে ঋণদাতা ব্যাঙ্ক কারখানাটি তাদের অধীনে নিয়ে নেয়। তবে কারখানার কাজকর্ম ও উৎপাদনের কাজ এরপরেও চলছিল। এবার এই কারখানার সম্পত্তি বিক্রী করে পাওনাদারদের টাকা মেটানোর জন্য গত ১৯ আগষ্ট তৃতীয় পক্ষকে নিয়োগ করে আদালত। ওইদিন থেকেই কারখানার গেটে নোটিশ ঝুলিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু কারখানার কর্মীদের দাবী, তাঁদের অধিকাংশের দু থেকে তিন মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। বেতন থেকে পিএফ-এর টাকা নিয়মিত হারে কাটা হলেও সেই টাকা ফেরত পাননি কেউ।

তাঁদের কিছু না জানিয়েই কারখানাটিকে এভাবে বন্ধের নোটিশ ঝুলিয়ে দেওয়ায় লকডাউনের মাঝেই আতান্তরে পড়েছেন কর্মীরা। এই মুহূর্তে কি করবেন বুঝে উঠতে না পেরে প্রতিদিন নিয়ম করে কারখানার গেটে হা পিত্যেশ করে বসে থাকছেন কাজ হারানো কর্মীরা।

তাঁদের দাবী, এমন দুর্দিনে পাশে এসে দাঁড়াননি স্থানীয় বিধায়ক, সাংসদ-মন্ত্রী বা কোনও জনপ্রতিনিধি।তাঁদের ন্যাহ্য পাওনা কিভাবে আদায় হবে তারও জবাব মিলছে না কোনও ভাবেই। এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে কাতর আবেদন জানাচ্ছেন কর্মীরা।

বিক্ষোভরত শ্রমিকদের দাবী, তাঁদের বকেয়া না মিটিয়েই এভাবে কারখানা বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ চালিয়ে যাবেন তাঁরা। বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করে এতগুলো শ্রমিককে চূড়ান্ত বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য রাজ্য সরকারের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন জেভিএল সংস্থার কর্মী তাঁদের পরিবারগুলি।

 #NewzBangla #BengaliNews #HaldiaNews #NewsUpdate #নিউজবাংলা #LatestUpdate #PurbaMedinipur

No comments