Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

পূর্ব মেদিনীপুরে সিসিইউ বেড না পেয়ে অ্যাম্বুলেন্সেই করোনা রোগীর মৃত্যু, একে অপরের বিরুদ্ধে দোষারোপ !

নিউজবাংলা ডেস্ক : হাসপাতালে পর্যাপ্ত সিসিইউ বেড নেই পাঁশকুড়ার কোভিড হাসপাতালে, এই কারনে এক সংকটজনক রোগীকে ভর্তি না নেওয়ায় অ্যাম্বুলেন্সেই মৃত্যু হয়েছে এক প্রৌঢ়ের। পরে ওই মৃতদেহ ফিরিয়ে আনা হয় তমলুক জেলা সদর হাসপাতালে। সেখানেও মৃ…


নিউজবাংলা ডেস্ক : হাসপাতালে পর্যাপ্ত সিসিইউ বেড নেই পাঁশকুড়ার কোভিড হাসপাতালে, এই কারনে এক সংকটজনক রোগীকে ভর্তি না নেওয়ায় অ্যাম্বুলেন্সেই মৃত্যু হয়েছে এক প্রৌঢ়ের। পরে ওই মৃতদেহ ফিরিয়ে আনা হয় তমলুক জেলা সদর হাসপাতালে। সেখানেও মৃতদেহ সকল পর্যন্ত অ্যাম্বুলেন্সেই পড়ে থাকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে জেলা হাসপাতাল চত্বরে। মৃতের পরিবারের দাবী, হাসপাতালের সিসিইউতে মুমুর্ষু রোগীকে ভর্তি না নেওয়ায় অ্যাম্বুলেন্সেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মুখ্য স্বাস্থ আধিকারীক নিতাইচন্দ্র মন্ডল জানিয়েছেন, পাঁশকুড়া কোভিড হাসপাতালে সিসিইউ বেড খালি নেই। তাই ওই রোগীকে চন্ডীপুর কোভিড হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলা হয়। কিন্তু পরিবারের লোকেরা এতে রাজি হয়নি। এমনকি পাঁশকুড়া কোভিড হাসপাতের জেনারেল বেডেও রেগীকে ভর্তি করতে রাজি হয়নি পরিবার।
এভাবেই প্রায় ঘন্টাখানেক কেটে যাওয়ার পর অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যেই মৃত্যু হয় ওই রোগীর। মৃত ব্যক্তির বয়স প্রায় ৬৫ বছর। তিনি জেলার পাঁশকুড়া থানার গোগ্রাস গ্রামের বাসিন্দা বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। এরপরেও সমস্যার অন্ত নাই। মৃতদেহটিকে পাঁশকুড়া থেকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালে নিয়ে এলেও সারা রাত্রি দেহ অ্যাম্বুলেন্সেই পড়ে ছিল। মৃতের বৌমা এবং মেয়ে অসহায় অবস্থায় দেহ নিয়ে বসে থাকেন হাসপাতালের বাইরে। রবিবার বেলার দিকে সংবাদ মাধ্যমে খবর সম্প্রচার হওয়ার পর নড়েচড়ে বসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মৃতের পরিবার সূত্রে জানানো হয়েছে, কয়েকদিন ধরেই জ্বর-শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন ওই ব্যাক্তি। শনিবার তাঁর অবস্থার অবনতি হওয়ায় সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ পূর্ব মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে প্রথমে রোগীকে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয় এবং র‍্যাপিড টেস্ট করা হয়। প্রথমে পরিবারের সদস্যদের জানানো হয় রিপোর্ট আসতে বেশ কয়েকদিন সময় লাগবে। তবে কিছু সময় পরেই হাসপাতালের তরফ থেকে জানানো হয় রোগীর রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে। এরপরেই তাঁকে জেলা হাসপাতাল থেকে পাঁশকুড়ায় নিয়ে যেতে বলা হয়। যদিও সিএমওএইচ নিতাইচন্দ্র মন্ডল জানিয়েছেন, কোভিড হাসপাতালে সিসিইউ বেড না থাকায় আগে থেকেই সিদ্ধান্ত হয়েছে কোনও রোগীকে রাতে সিসিইউ বেডের জন্য রেফার করা যাবে না। কিন্তু পাঁশকুড়ার বড়মা কোভিড হাসপাতালে যাওয়ার পর সেখানে বেড খালি না থাকায় রোগীকে ভর্তি নেওয়া সম্ভব নয় জানিয়ে দেওয়া হয়। ঘণ্টাখানেক এভাবেই অ্যাম্বুলেন্সে পড়ে থেকে মৃত্যু হয় ওই রোগীর।

No comments