Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

সুশান্ত মৃত্যু তদন্তের লেটেস্ট আপডেট : চূড়ান্ত বিপাকে প্রেমিকা রিয়া ও ভাই শৌভিক, রুজু আর্থিক তছরুপের মামলা !

নিউজ বাংলা, মুম্বাই : প্রতিটি মুহূর্তেই মুম্বাই পুলিশকে টেক্কা দিয়ে একের পর এক তদন্তের জাল বুনে চলেছে পাটনা পুলিশ। এবার সুশান্তের ১৫ কোটি টাকা আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগের পর রিয়া চক্রবর্তী সহ চক্রবর্তী পরিবারের সবার নামে স্বতঃপ্র…

নিউজ বাংলা, মুম্বাই : প্রতিটি মুহূর্তেই মুম্বাই পুলিশকে টেক্কা দিয়ে একের পর এক তদন্তের জাল বুনে চলেছে পাটনা পুলিশ। এবার সুশান্তের ১৫ কোটি টাকা আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগের পর রিয়া চক্রবর্তী সহ চক্রবর্তী পরিবারের সবার নামে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করল কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি।

আগামী সপ্তাহেই সুশান্তের দুই কোম্পানীর ডিরেক্টর পদে থাকা রিয়া চক্রবর্তী ও রিয়ার ভাই শৌভিক চক্রবর্তীকে সমন পাঠাতে চলেছে ইডি। এদিকে একের পর এক তদন্ত এবং জিজ্ঞাসাবাদের জেরে পাটনা পুলিশের কাছে উঠে আসছে একাধিক তথ্য। সুশান্ত মৃত্যু তদন্তে তারা  মহেশ শেট্টিকে প্রধান সাক্ষী বানাতে চায়।

মহেশকে জেরার পর সে জানায়, লকডাউনের আগেই সুশান্তের দেহরক্ষীকে পাল্টে দিয়েছিলেন রিয়া। এছাড়াও রিয়া আসার পরে সুশান্তের জীবনের যে পরিসর সেটিও বদলাতে থাকে বলে বয়ানে জানিয়েছে সে।

প্রসঙ্গত যদিও মুম্বাই পুলিশের সহযোগিতা যে না মেলার কথা উঠেছিল তাতে একপ্রকার পাটনা পুলিশের তদন্তে অন্য গতি এনেছে বলেই সুশান্ত অনুরাগীদের মত। পাশাপাশি সুশান্তের দিদি মিতু সিং একটি বিস্ফোরক মন্তব্য করেন, তিনি পরিচারকের কাছ থেকে জেনেছিলেন সুশান্ত ও রিয়া লিভ-ইন রিলেশনে থাকত। সেইসাথে রিয়া সুশান্তের ওপর ব্ল্যাক ম্যাজিক করত বলেও জানান।

যদিও এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের স্টিং অপারেশনে সুশান্তের ফিটনেস ট্রেনার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনেছেন। তিনি বলেন, সুশান্ত গত ৫ বছর ধরে তার কাছে ট্রেনিং নিয়েছে। পেশাদার জীবনের বাইরেও ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল তাদের। সুপ্রিম কোর্টে রিয়া জানিয়েছিলেন, সুশান্ত মানসিক রোগের শিকার তিনি মানসিক অবসাদের ওষুধ খেতেন। সুশান্তের মৃত্যুর সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই। রিয়া জোর দিয়েছেন সুশান্তের অবসাদ এবং সেই সংক্রান্ত চিকিৎসার উপর। ঠিক এই বিষয়েই উঠছে প্রশ্ন, সুশান্ত কি সত্যিই মানসিক অবসাদগ্রস্থ ছিলেন?

সমীরের দাবী, রিয়া ঠিক করে দিত সুশান্ত কোন ওষুধ খাবে। শুধু তাই নয় একজন ট্রেনার হিসেবে আমি নিজেও জানতাম না ঠিক কি ওষুধ খেত। জানলে সেইরকম ফিটনেস রুটিন ঠিক করা যায়। কিন্তু ওষুধ সম্পর্কে জানত শুধু রিয়া। সুশান্তের জীবনে রিয়া আসার পরে সব পাল্টে যেতে থাকে। যে সুশান্ত আমার মায়ের মৃত্যুর পর সবসময় সাহায্যের জন্য প্রস্তুত ছিল যেকোনো প্রয়োজনে আমি যেন তাকে জানাই, পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিল। সে আত্মহত্যা করতে পারে এটা মেনে নিতে পারিনি বলে সমীর জানায়।

অন্যদিকে সুশান্তের বাবা কেকে সিং আগেই জানিয়েছেন, সুশান্তের আগের বাড়িতে ভুতপ্রেত আছে বলে বাড়ি বদল করিয়েছিল রিয়া। তারপরে মানসিক অবসাদগ্রস্থ বলেও রিয়া নিজের পরিচিত বন্ধু চিকিৎসককে দিয়েই চিকিৎসা করাত। এদিকে পাটনা পুলিশ জানতে পারে, সুশান্তের ঘনিষ্ঠ হওয়ার পর থেকেই ব্যক্তিগত পরিসরে থাকা সবাইকে সরিয়ে দেয় রিয়া। পরিবর্তে নিজের পছন্দের সবাইকে রাখা হয় নজরদারির মাধ্যম হিসেবে। পাটনা পুলিশের সাথে কথা হয়েছে সুশান্তের প্রাক্তন কুক এবং পরিচারকের সঙ্গে।

তারা জানায়, সুশান্তের জীবন পরিচালনা করত রিয়া। সময়মতো সমস্ত ওষুধ খাওয়াত সে। কখনও সুশান্ত ওষুধ খেতে ভুলে গেলে নিজেই সেই ওষুধ তুলে দিতেন তার হাতে। তবে লকডাউনের আগে একের পর এক পরিচিত লোকেদের কেন সরিয়ে দিয়েছিল রিয়া সে বিষয়েই আরও খুঁটিয়ে দেখছে পাটনা পুলিশ।

#newzbangla #BengaliNews #SushantSingRajput #নিউজবাংলা #newsbangla #BollywoodUpdate #RiyaChakraborty


No comments