Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

করোনার ধাক্কায় গ্রাহকদের পকেটে টান, ইদের আগে বিশাল ক্ষয়ক্ষতির মুখে ছাগল বিক্রেতারা !

নিউজবাংলা ডেস্ক, নিউদিল্লী :আর মাত্র এক সপ্তাহ বাদে ৩১ জুলাই মুসলিমদের গুরুত্বপূর্ণ "Eid al-Adha" বা বকরি ইদ। কিন্তু করোনা আবহে এবার চূড়ান্ত ক্ষতির মুখে পড়েছেন দেশের হাজার হাজার ছাগল বিক্রেতারা। খোদ দেশের রাজধানী দিল্লী…

নিউজবাংলা ডেস্ক, নিউদিল্লী : আর মাত্র এক সপ্তাহ বাদে ৩১ জুলাই মুসলিমদের গুরুত্বপূর্ণ "Eid al-Adha" বা বকরি ইদ। কিন্তু করোনা আবহে এবার চূড়ান্ত ক্ষতির মুখে পড়েছেন দেশের হাজার হাজার ছাগল বিক্রেতারা। খোদ দেশের রাজধানী দিল্লীতেও ব্যবসায়ীদের অবস্থা দুর্বিষহ।

শাকিল খান প্রায় দুই সপ্তাহ আগে উত্তরপ্রদেশের বরেলি থেকে জামে মসজিদের কাছে দিল্লির বিখ্যাত ক্যাপরিন মার্কেটে তার মালিকের বাড়ির ছাগল বিক্রি করতে এসেছিলেন। কিন্তু ইদের মাত্র এক সপ্তাহ আগেও তিনি কোনও ক্রেতা খুঁজে পাচ্ছেন না।

বিনা রোজগারে দিন গুজরান করতে করতে তাঁর কাছে থাকা সম্পদ প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। অগত্যা বাধ্য হয়েই ২২ বছর বয়সী ওই যুবক বিখ্যাত মসজিদের পাশে উর্দু বাজার রোডের বন্ধ দোকানগুলির বাইরে রাত কাটাচ্ছেন।

"আমি যদি আমার কয়েকটি ছাগল বিক্রি করে কিছু উপার্জন করতে সক্ষম হতাম তাহলে আমি কাছেই কোনও হোটেলে থাকতে পারতাম", জানিয়েছেন হতভাগ্য যুবক। এদিন শাকিলের কাছে এক ক্রেতা এসেছিলেন, যিনি গতবছর ৪টে ছাগল কিনেছিলেন। কিন্তু এবার দরদাম করেও শেষ পর্যন্ত একটি শাকিলের থেকে একটিও ছাগল কিনতে পারল না।

কারন শাকিলের মালিক প্রতি এক জোড়া ছাগলের দাম বেঁধে দিয়েছেন। এই ছাগলগুলির প্রতিটির ওজন প্রায় ৪০ কেজি এবং দাম ছিল ৩০,০০০ টাকা। এই দাম যুক্তিসঙ্গত বলেই মেনে নিয়েছেন ওই ক্রেতা। কিন্তু করোনা মহামারীর জেরে তাঁর পকেট এতটাই খালি যে অনেক চেষ্টা করেও তিনি একটি ছাগলও কিনতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।

শাকিল নামের যুবকটি প্রায় ৫ বছর ধরেই ক্যাপরিন বাজারে আসছেন। গত বছর তিনি ৮টি ছাগল বিক্রী করেছিলেন প্রায় ১.৬ লক্ষ টাকায়। এক একটি ছাগলের দাম ছিল ২০,০০০ টাকা। কিন্তু এবছর কোনও ক্রেতা এখন পর্যন্ত ১০,০০০ টাকার বেশি দাম দিতে রাজি হচ্ছেন না বলেই জানিয়েছেন তিনি।

৩৩ বছর বয়সী সাফেনা এবং তার পুত্রবধূ পুরাতন দিল্লির ফিল্মিস্তান অঞ্চল থেকে ৩১ জুলাই উত্সবের জন্য ছাগল কিনতে এসেছেন। তিনি জানান, "আমরা প্রতি বছর ছাগল কিনে থাকি। এই বছর আমাদের দোকান বেশিরভাগ সময় জন্য বন্ধ ছিল, তাই বেশী টাকা জমাতে পারিনি।"

পুত্রবধু ফারিয়া বলছেন, তারা গত বছর ১৫ হাজার টাকায় একটি ছাগল কিনেছিল। কিন্তু এই বছর তাঁরা মাত্র ১০,০০০ টাকা এনেছেন। এই দামের মধ্যে একটি সুন্দর ছাগল পাওয়া খুব কঠিন বলেই হতাশায় ডুবে যান তিনি।

#newzbangla #EidAlAdha #bengalinews #নিউজবাংলা #NationallNews #newsbangla #BakriEid


No comments