Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

মাধ্যমিকে পিছিয়ে গেলেও CBSE দশম শ্রেণীর পরীক্ষায় এরাজ্যে ছাত্রদের টেক্কা দিল ছাত্রীরাই !

নিউজবাংলা ডেস্ক, কলকাতা : বুধবারেই প্রকাশিত হয়েছে CBSE দশম শ্রেণীর ফলাফল। তবে এবছর কোনো মেধাতালিকা প্রকাশ করেনি সিবিএসই। পাশের নিরিখে ছেলেদের থেকে মেয়েরা ৩.১৭% বেশি পেয়েছে। ভালো ফল করেছে পশ্চিমবঙ্গ। রাজ্যে মোট পাশের হার ৯৫.২৪%।সি…

নিউজবাংলা ডেস্ক, কলকাতা : বুধবারেই প্রকাশিত হয়েছে CBSE দশম শ্রেণীর ফলাফল। তবে এবছর কোনো মেধাতালিকা প্রকাশ করেনি সিবিএসই। পাশের নিরিখে ছেলেদের থেকে মেয়েরা ৩.১৭% বেশি পেয়েছে। ভালো ফল করেছে পশ্চিমবঙ্গ। রাজ্যে মোট পাশের হার ৯৫.২৪%।

সিবিএসই দশম শ্রেণীর ফলাফলে পশ্চিমবঙ্গে প্রথম ভদ্রেশ্বরের শুভশ্রী রক্ষিত। চুঁচুড়া টেকনো ইন্ডিয়া স্কুলের এই ছাত্রীর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬। শুভশ্রী ইংরেজিতে অনার্স নিয়ে সেন্ট জেভিয়ার্সে পড়াশুনা করতে চান। তারপর অধ্যাপনা করতে চান।

সাইকোলজি বিষয়ে বেশি নম্বর পেয়েছেন। পড়াশুনার পাশাপাশি গোয়েন্দা গল্পের বই এবং নাচেই আগ্রহ রয়েছে বলে জানান তিনি।সাফল্যের হারে প্রথম তিরুবনন্তপুরম(৯৯.২৮%), দ্বিতীয় চেন্নাই(৯৮.২৫%), তৃতীয় বেঙ্গালুরু(৯৮.২৩%)।

সিবিএসই ফলাফলেও সর্বাধিক মেয়েরাই বেশি নম্বরের অধিকারী হয়েছেন। রাজ্যের সকল পড়ুয়াদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রী। রাজ্য থেকে এবছর মোট ৩০,৭৪০ জন পড়ুয়া পরীক্ষা দিয়েছিলেন। যার মধ্যে কৃতকার্য হয়েছেন ২৯,২৭৮ জন। এবছর ছাত্রদের পাশের হার ৯৪.৫০% এবং ছাত্রীদের পাশের হার ৯৬.২৮%।

সাউথ পয়েন্ট স্কুলে ৯৯.৪০% নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন শ্যাময়িতা দত্ত। শ্রী শিক্ষায়তন স্কুলে ৯৯.০২% পেয়ে প্রথম হয়েছেন সঞ্জনা ভট্টাচার্য। জি ডি বিড়লা বয়েজে ৯৮.৪০% পেয়ে প্রথম স্বস্তিক মুখোপাধ্যায়। দিল্লী পাবলিক স্কুলে ৯৯.০০% পেয়ে যুগ্ম প্রথম হয়েছেন সৃঞ্জিনী সেন এবং শুভ্রনীল মিত্র।

ফেব্রুয়ারী থেকে মার্চের মধ্যে সমস্ত পরীক্ষগুলি হওয়ার কথা থাকলেও করোনাকালীন পরিস্থিতির জন্য তা সম্ভব হয়নি। বলা হয়েছিল যে বিষয়গুলির পরীক্ষা হয়েছে তার নিরিখেই ফলাফল ঘোষণা করা হবে। মোট ১৮,৭৩,০১৫ জন পরীক্ষার্থী এবছর পরীক্ষা দিয়েছিলেন তার মধ্যে কৃতকার্য হয়েছেন ১৭,১৩,১২১ জন।

এবছর মেধাতালিকা প্রকাশ না করার পাশাপাশি দ্বাদশ শ্রেণীর মতোই মার্কশিট থেকে 'ফেল' কথাটি তুলে সে জায়গায় 'এসেনশিয়াল রিপিট' কথাটি লেখা হয়েছে। তিনটির বেশি বিষয়ে যে সকল পড়ুয়া পরীক্ষা দিয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে বেস্ট থ্রি বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বরের গড় হিসেব অনুযায়ী বাকি বিষয়গুলিতে নাম্বার দেওয়া হয়েছে। একই ভাবে তিনটি বিষয়ে পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও এই পদ্ধতিতেই নাম্বার দেওয়া হয়েছে।

কেমন লাগছে আমাদের প্রতিবেদন, আপনার মন্তব্য জানান নীচের কমেন্ট বক্স-এ। আপনার মূল্যবান মন্তব্য ও পরামর্শ আমাদের চলার পথ সমৃদ্ধ করবে। 

No comments