Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

নেপোটিজমের শিকার যেন না হয় নবাগতরা, প্রতিভাবানদের সুযোগ দিতে অভিনব উদ্যোগ সুশান্তের পরিবারের !

নিউজ বাংলা ডেস্ক : সময় অনেকটাই গড়িয়েছে। এখনও প্ৰিয় বলিউড অভিনেতার বিভিন্ন মুহূর্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রথম সারিতে। অবশেষে মুখ খুলল সুশান্তের পরিবার, নতুন প্রতিভাদের সুযোগ দিতে তৈরী হচ্ছে সুশান্ত সিং রাজপুত ফাউন্ডেশন। প্রয়াত অভিনেতার…

নিউজ বাংলা ডেস্ক : সময় অনেকটাই গড়িয়েছে। এখনও প্ৰিয় বলিউড অভিনেতার বিভিন্ন মুহূর্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রথম সারিতে। অবশেষে মুখ খুলল সুশান্তের পরিবার, নতুন প্রতিভাদের সুযোগ দিতে তৈরী হচ্ছে সুশান্ত সিং রাজপুত ফাউন্ডেশন।

প্রয়াত অভিনেতার নিজ বাড়ি পাটনার রাজীবনগরে তৈরী হবে এই ফাউন্ডেশন। সুশান্তের ব্যবহার করা সমস্ত সামগ্রী দেখার সুযোগ পাবেন সবাই। সুশান্তের প্ৰিয় টেলিস্কোপ, বই, খেলার সামগ্রী থেকে সবটাই এখন স্মৃতি হয়ে নাড়া দেবে ভক্তদের মনে।

সুশান্ত রাতের আকাশের তারাদের খুব ভালোবাসতেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা টেলিস্কোপে চোখ রেখে তারা দেখতেন। মহাকাশ, মহাবিশ্ব আর সীমাহীন আকাশ নিয়ে তুমুল আগ্রহের কারণেই হয়ত সময়ের আগেই তারা হয়ে গেলেন সীমাহীন নীল দিগন্তে। তার মৃত্যুর ১৩ দিনের সময়ে সুশান্তের পরিবারের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হল।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সুশান্তের বাড়িকে তার স্মৃতি জাদুঘর বানিয়ে ভক্তদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। সুশান্তের অর্থ খরচ হবে সিনেমা, বিজ্ঞান ও ক্রীড়া বিভাগের তরুণ মেধাবীদের সাহায্যের জন্য, যে বিষয়গুলো সুশান্তকে সবচেয়ে বেশি টানত। এভাবেই সুশান্তের পরিবার সুশান্তকে বাঁচিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন সুশান্ত কেবলই ছবি আর স্মৃতি।

বলা হয়েছে, ‘সারা বিশ্ব থেকে সুশান্তভক্তদের ভালোবাসায় আমরা আপ্লুত। আমরা ঠিক করেছি, ওর সম্পত্তি দিয়ে ওর নামে একটা ফাউন্ডেশন বানাব। এই ফাউন্ডেশন থেকে সিনেমা, বিজ্ঞান ও খেলাধুলার ক্ষেত্রে সম্ভাবনাময় মেধাবীদের বৃত্তি দেওয়া হবে। পাটনার রাজীবনগরে ওর যে বাড়িটা আছে, সেটাকে ওর স্মরণে একটা জাদুঘর বানাব। সেখানে ওর সবকিছু থাকবে।

ব্যবহার্য জিনিস, ব্যক্তিগত সংগ্রহ, টেলিস্কোপ আর হাজার হাজার বই। ওর ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম আর টুইটার পেজও সচল রাখা হবে, যাতে ওর স্মৃতি ওর ভক্তদের মধ্যে বেঁচে থাকে। ssrliveson@gmail.com ঠিকানায় ওর সম্পর্কে ভক্তরা আমাদের যেকোনো বিষয়ে জানাতে পারেন। ওকে নিয়ে তাঁদের কোনো ভাবনা বা পরামর্শও ভাগ করে নিতে পারেন।’

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই ছেলের অস্থি বিসর্জন দিয়েছেন বাবা। শোকে মুহ্যমান পরিবার এখনো তাজা স্মৃতির ছোঁয়া পাচ্ছেন নেট দুনিয়ায়। সুশান্তের বাবা জানান, 'অঙ্কিতা এবং কৃতী ছাড়া আর কেউই তার সাথে দেখা করতে মুম্বাই এবং পাটনার বাড়িতে আসেননি'। তবে এত তাড়াতাড়ি সুশান্তের স্মৃতি হারিয়ে যাবে না মানুষের মন থেকে সেকথাও স্পষ্ট।



No comments