Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

ঘরে বসেই করোনা টেস্ট, আসতে চলেছে নতুন অ্যানটিজেন কিট !

নিউজ বাংলা ডেস্ক : ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিভিন্ন হসপিটালে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কিংবা বেসরকারি ক্লিনিক গুলির ইচ্ছেমত টাকার দাবী শেষ হতে চলেছে শীঘ্রই। বাড়িতে বসেই পরীক্ষা করে জেনে নেওয়া যাবে কোনো ব্যক্তি করোনা বা ইনফ্লুয়েঞ্জার শি…


নিউজ বাংলা ডেস্ক : ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিভিন্ন হসপিটালে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কিংবা বেসরকারি ক্লিনিক গুলির ইচ্ছেমত টাকার দাবী শেষ হতে চলেছে শীঘ্রই। বাড়িতে বসেই পরীক্ষা করে জেনে নেওয়া যাবে কোনো ব্যক্তি করোনা বা ইনফ্লুয়েঞ্জার শিকার কিনা।

দেশের শীর্ষ স্বাস্থ্য সংস্থা আইসিএমআরের অনুমোদনপ্রাপ্ত এই ‘ম্যাজিক কিটের পোশাকি নাম ‘কোভিড-১৯ অ্যান্টিজেন টেস্ট কিট'। যা উৎপাদন ও বিপণনের ছাড়পত্র পেয়েছে অন্তত আটটি দেশীয় সংস্থা।

কয়েকটি উৎপাদিত কিটের গুণগত মান যাচাইয়ের পর্ব শুরু হয়েছে। সরকারের নির্ধারিত গুণমান বজায় রাখলে ওই সংস্থাগুলিকে কিট বিক্রির অনুমতি দেবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। তারপর থেকে রাজ্যের খোলা বাজারেই মিলবে এই কিট। বর্তমানে এর মূল্য সাড়ে চারশো টাকা। তবে আগামী দিনে এর দাম কিছুটা কমতে পারার আশ্বাস দিয়েছে রাজ্য সরকার।

রাজ্যের মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডা.অজয় চক্রবর্তীর কথায়, “কয়েকটি সংস্থাকে একই সময়ে খোলা বাজারে বিক্রির অনুমতি দিলে প্রতিযোগিতা হবে। দাম কম হবে। গুণগত মানও ঠিক থাকবে। স্বাস্থ্য দপ্তরের আরেক আধিকারিকের মন্তব্য, “এত সব কিছুর পাশাপাশি স্বাস্থ্য দপ্তরের তীক্ষ্ণ নজরদারিও থাকবে। কিটের মানের সঙ্গে কোনও রকম সমঝোতা করা হবে না।

স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা যায়, সব শর্ত ঠিক থাকলে এক মাসের মধ্যে এমন অ্যান্টিজেন কিট খুব সহজেই পাওয়া যাবে খোলা বাজারে। সম্প্রতি এমন দশ হাজার কিট কিনেছে স্বাস্থ্যদপ্তর। পরীক্ষামূলকভাবে সেগুলো ব্যবহার হবে। নতুন কিটের মান বজায় রাখতে ব্যবহারের আগে গাইডলাইন মেনে অন্তত মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হবে। কোথায় কত অ্যান্টিজেন কিট (antigen kit) বিক্রি হবে, আইসিএমআর (ICMR) -এর গাইডলাইন মেনে তারও যাবতীয় তথ্য মজুত থাকবে স্বাস্থ্য দপ্তরে।

প্রথমে মেডিকেল কলেজ ও সরকারি হাসপাতাল গুলিতেই পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে এই কিট গুলি। এরপর ধীরে ধীরে কন্টেনমেন্ট জোন গুলিতেও পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। তখনই আরও ভালো ভাবে জানা যাবে এই কিটের গুণগত মান ও উপকারিতা সম্পর্কে।


No comments