Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

ফাইনাল সেমিস্টারের বাতিল পরীক্ষা, জুলাইয়ের শেষে ফল ঘোষণা হবে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের !

নিউজবাংলা ডেস্ক : করোনা আবহে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক নির্দেশের দিকে নজর রেখে আগেই বাতিল করে দেওয়া হয়েছিল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের বাকি থাকা পরীক্ষাগুলি। তখন থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছিল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে…


নিউজবাংলা ডেস্ক : করোনা আবহে পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক নির্দেশের দিকে নজর রেখে আগেই বাতিল করে দেওয়া হয়েছিল মাধ্যমিক ও  উচ্চ মাধ্যমিকের বাকি থাকা পরীক্ষাগুলি। তখন থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছিল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনাল সেমিস্টারের পরীক্ষা নিয়ে।

এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গত ১৩ জুন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজ্যের সমস্ত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর, রেজিস্ট্রারদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন শিক্ষামন্ত্রী। এরপরেই গতকাল ২৭ জুন উচ্চ-শিক্ষা দফতরের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ফাইনাল সেমিস্টারের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।

পরিবর্তে আন্ডারগ্রাজুয়েট এর ৫টি সেমিস্টারের পূর্ববর্তী সর্বোচ্চ নম্বর অনুযায়ী 80% ধরা হবে এবং ইন্টার্নাল অ্যাসাইনমেন্ট বেসিক ২০% ধরা হবে। এছাড়া পোস্টগ্রাজুয়েট এর ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী তিনটি সেমিস্টারের ক্ষেত্রেও  একই পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। আর ফল প্রকাশ করা হবে ৩১ জুলাই এর মধ্যে,


যদি কোনো শিক্ষার্থী উপরোক্ত মূল্যায়ন ব্যবস্থায় সম্মতি না হয়ে পরীক্ষায় বসতে চায় তাহলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তার/তাদের জন্য স্পেশাল পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। পরীক্ষা নেওয়ার এক মাসের মধ্যে ফলাফল প্রকাশিত হবে এবং এই পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরটিকেই চূড়ান্ত বলে বিবেচনা করা হবে।


অন্তর্বর্তী সেমিস্টার / বর্ষের ক্ষেত্রে সমস্ত শিক্ষার্থীকে পরবর্তী সেমিস্টার / বর্ষে উন্নীত করে দেওয়া হবে। বর্তমান করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে রাজ্য সরকার কর্তৃক পরবর্তী শিক্ষা বর্ষের ঘোষণা করা হবে যা রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রযোজ্য হবে।


২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের যে অংশটুকু লকডাউনের জন্য প্রভাবিত হয়েছে সেখানে সমস্ত শিক্ষার্থীদেরই উপস্থিতি ফাকা দেওয়া হবে। অনলাইনের মাধমে নেওয়া অ্যাসাইনমেন্ট এর জন্য কোনোরকম ফি বৃদ্ধি বা অতিরিক্ত ফি নেওয়া হবে না।

এ বিষয়ে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএমসিপি ইউনিট সভাপতি সিদ্ধার্থ মাইতি জানিয়েছেন, এটি খুবই ভালো সিদ্ধান্ত। বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রনেতা চন্দন বাগ বলেছেন এতে ছাত্ররা খুশি হবে।

পশ্চিম মেদিনীপুরের তৃণমূল ছাত্র পরিষদ সভাপতি সৌরভ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, আমরা ছাত্রদের পাশে প্রথম থেকেই ছিলাম এবং ছাত্রদের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত খুব ভালো। পূর্ব মেদিনীপুরের মুগবেড়িয়া কলেজের তৃতীয় বর্ষের অনার্সের ছাত্র বিশ্বজিৎ ঘোড়াই জানান, যে আমরা খুবই চিন্তার মধ্যে ছিলাম আমাদের পরীক্ষা নিয়ে কি হবে। শেষপর্যন্ত সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাতে আমরা খুশি।

একইভাবে পূর্ব মেদিনীপুরের দেশপ্রাণ মহাবিদ্যালয় ইউনিট সভাপতি আবেদ আলী খান বলেন যে, প্রথম দিন থেকেই আমরা ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে ছিলাম এবং প্রতিনিয়ত ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষা সংক্রান্ত কথা আমরা তাদের কাছে তুলে ধরতাম। অবশেষে তাদের পক্ষে এমন একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে এতে ছাত্রছাত্রীরা খুবই খুশি হবে।

উচ্চ শিক্ষা দফতরের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন রামনগর কলেজের ছাত্র নেতা শেখ মইদুল ও শতদল বেরা, মহারাজা নন্দকুমার মহাবিদ্যালয় ছাত্রনেতা লক্ষ্মীকান্ত অধিকারী, পালপাড়া কলেজের ছাত্র নেতা অমিত দিন্ডা,প্রসেনজিৎ সামন্ত, মহিষাদল রাজ কলেজের ছাত্রনেতা উত্তম সমাজিক এবং মহিষাদল গার্লস কলেজের ছাত্রনেত্রী শারমিনারা বিবি।

পরীক্ষা সংক্রান্ত সিদ্ধকে স্বাগত জানিয়েছেন, তাম্রলিপ্ত মহাবিদ্যালয় টিএমসিপি ইউনিট সভাপতি শেখ রহমত আলী, কাঁথি পিকে কলেজের ছাত্র নেতা অয়ন জানা, মুগবেড়িয়া গঙ্গাধর মহাবিদ্যালয় ছাত্রনেতা মহাদেব মাইতি, পাঁশকুড়া বনমালী কলেজের ছাত্রনেতা শুভেন্দু শেখর ভক্তা, হলদিয়া গভমেন্ট কলেজের ছাত্র নেতা তপধন পাত্র এবং শম্ভু পাশওয়ান ছাত্রদের পক্ষে আজকের এই অ্যাডভাইজারি সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।


No comments