Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

আর জি করেই অভিভাবক, তবু শিশু মৃত্যুর খবর পেলেন ১০ দিন পর !

নিউজ বাংলা, কলকাতা : হাসপাতালের গাফিলতির কথা তুলে কাঠগড়ায় তোলা হল আর জি কর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। দশদিন হাসপাতালেই দিন কাটালেন অভিভাবক তবু জানলেন না বাড়ির ছোট্ট শিশুটি বেঁচে নেই। চরম গাফিলতির কথা বলে ডিএনএ পরীক্ষার দাবী তুললেন বাব…


নিউজ বাংলা, কলকাতা : হাসপাতালের গাফিলতির কথা তুলে কাঠগড়ায় তোলা হল আর জি কর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। দশদিন হাসপাতালেই দিন কাটালেন অভিভাবক তবু জানলেন না বাড়ির ছোট্ট শিশুটি বেঁচে নেই। চরম গাফিলতির কথা বলে ডিএনএ পরীক্ষার দাবী তুললেন বাবা বাবুন মন্ডল।

গত ১২ জুন চন্দননগরের বাসিন্দারা বাবুন মন্ডল তার সন্তানসম্ভবা স্ত্রীকে ভর্তি করেন চন্দননগর মহকুমা হাসপাতালে। সেখানেই বাবুনের স্ত্রী দেবযানী পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। শিশুর চিকিৎসার জন্য পরদিন বাবুন তার সন্তানকে আর.জি.করে ভর্তি করেন।

বাবুনের দাবী, তিনি সেইদিন থেকেই হাসপাতালেই রয়েছেন বারবার দেখতে চেয়েও ছেলেকে দেখতে দেওয়া হয়নি বলেও জানান। এদিকে গত শনিবার বাবুনের বোনপো সঞ্জু গড়ুই হাসপাতালে গেলে জানান হয়, শিশুটি ভাল আছে।

ছেলের সাথে দেখা না হওয়ায় দেবযানীকে নিয়ে দেখা করার সিদ্ধান্ত নেয় বাবুন। সেইমতো গত বৃহস্পতিবার হাসপাতালে পৌঁছালে প্রথমে ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে জানান। অবশেষে দিনের শেষে  একপ্রকার জোর করে ভেতরে ঢুকলে জানানো হয় গত ১৫জুন শিশুটি মারা গেছে।

ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কথা তুলেছে বাবুন এবং তার পরিবার। অভিযোগ সন্তানের মৃতদেহ দেখানোর কথা বলেছে হাসপাতাল। কিন্তু সেই বিষয় মানতে রাজি নয় বাবুন। তারা চায় ডিএনএ পরীক্ষা ছাড়া কোনো কিছু মানবেন না। উল্লেখ্য, সঞ্জুকে যে শিশুটির সুস্থতার কথা বলা হয়েছিল সেই বেডে বাবুনের সন্তানের জায়গায় অন্য শিশু ভর্তি হয়েছিল। আর সেই তথ্যই সঞ্জুকে দিয়েছিল হাসপাতাল।

হাসপাতালের তরফে বলা হয়, শিশুটির শরীরে শর্করার পরিমান ছিল ৩২। শ্বাসকষ্ট ছিল, আসার পড়ে ভেন্টিলেটরে দেওয়াও হয়েছিল। গত ১৪ জুন রাতে শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতির কথা জানাতে চেয়ে মাইকে দুবার ঘোষণা করা হয়, ফোন করাও হয়। কিন্তু কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। পরদিন শিশুটির মৃত্যুর পরেও মাইকে ঘোষণা করা হলেও কেউ উপস্থিত ছিলনা। তাই পুলিশে জানিয়ে দেহ মর্গে পাঠানো হয়।


No comments