Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

লকডাউনের মাঝেই শনিবার থেকে একাধিক দোকান খোলার অনুমতি কেন্দ্রের, বিভ্রান্ত এই রাজ্যের ব্যবসায়ীরা !




নিউজবাংলা ডেস্ক : এই মুহূর্তে দেশ জুড়ে চলছে লকডাউন। কেন্দ্রের ঘোষণা মতো আগামী ৩ মে পর্যন্ত লকডাউনের আওতায় রয়েছেন দেশবাসীরা। এরই মাঝে দেশজুড়ে একাধিক দোকান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। নির্ধারিত সোশ্যাল ডিসস্ট্যান্সিং মেনে দোকানে গিয়ে কেনাকাটা করা যাবে বলে কেন্দ্র জানিয়েছে। যদিও এই নির্দেশকে ঘিরেই শুরু হয়েছে চরম জটিলতা।



কেন্দ্রের জারি করা নির্দেশ অনুযায়ী এই রাজ্যের দোকানগুলি খোলার অনুমোদন কার্যকর হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে রাজ্যের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও নির্দেশিকা জারি হয়নি। রাজ্য সরকারের তরফে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এই রাজ্যে লকডাউন জারি রয়েছে। তার মাঝে কেন্দ্রের নির্দেশ কার্যকর করে এই রাজ্যের দোকান খোলা হবে কিনা তা এখনও পরিষ্কার নয়।

গতকাল টিভিতে কেন্দ্রের তরফে দোকান খোলার নির্দেশ দেখে শনিবার অনেক জায়গাতেই দোকান খোলার চেষ্টা চালিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে পুলিশের তৎপরতায় দোকানগুলিকে পুনরায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

কোন কোন দোকান লকডাউনের আওতা থেকে ছাড় পাচ্ছে দেখে নিন তার একটি ছোট্ট তালিকা -
চশমা দোকান, পান সিগারেটের দোকান, জামা কাপড়ের দোকান, ইমারতি দোকান, এসি ও সিলিং ফ্যান দোকান, মিষ্টি দোকান, ফুল দোকান, টেলারিং শপ, জুতোর দোকান। পাশাপাশি এটাও জানানো হয়েছে গ্রামীন এলাকায় সমস্ত দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে, যেখানে মালপত্র বিক্রী হয় সেই দোকানগুলি খোলার অনুমতি দিল কেন্দ্র।



অন্যদিকে যে সমস্ত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান খোলার অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে না সেগুলি হল- সেলুন, ম্যাসেজ পার্লার, শপিং মল, মদের দোকান, থিয়েটার হল প্রভৃতি। এছাড়াও বড় শহরগুলিতে কড়াকড়ি কিছুটা জারি থাকবে। করোনা হটস্পট এলাকাগুলিতে জরুরী দোকান ছাড়া বাকীদের ক্ষেত্রে একইভাবে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকছে।

বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, চূড়ান্ত অর্থনৈতিক বেহাল অবস্থা ফিরিয়ে আনার জন্যই তড়িঘড়ি কেন্দ্রের এমন সিদ্ধান্ত। কেন্দ্রের ঘোষণা, গ্রামীন এলাকায় ব্যবসায়ীদের দোকান খোলার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থাকছে না। তবে শহরের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি থাকছে বলে কেন্দ্রের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে।

দেশজুড়ে লকডাউন চলাকালীন রাতারাতি এভাবে দোকানগুলিকে খোলার সিদ্ধান্ত নিয়ে নানান মত উঠে আসছে বিশেষজ্ঞদের তরফ থেকে। অনেকেই মনে করছেন এর ফলে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।




এই বিষয়ে জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের উদাহরণ টেনে আনছেন অনেকেই। এই দ্বীপেও তড়িঘড়ি লকডাউন তুলে নেওয়ার জেরে ব্যাপক বিপর্যয় নেমে এসেছে। যার ফলে লকডাউন তুলে নেওয়ার ২৬ দিনের মাথায় পুনরায় লকডাউন করতে হয়েছে এই দ্বীপে।  

তবে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের পক্ষে একদল বিশেষজ্ঞের যুক্তি, এই মুহূর্তে ভারতে ১৭০টি রেড জোন আছে, অরেঞ্জ জোন রয়েছে ২০৭টি এবং ৩৫০টি গ্রিণ জোন রয়েছে। কেন্দ্রের তরফে এই রেড জোনগুলিকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় রেখে বাকি এলাকায় ব্যবসায়ীদের জন্য কড়াকড়ি শিথিল হচ্ছে বলেই তাঁদের মত।

যদিও ইতিমধ্যে এই রাজ্যের ফুল, মিষ্টি দোকান, কৃষিকাজে ব্যবহৃত দোকান, জরুরি সামগ্রী যেমন ওষুধ, মাছ, সবজি, মশলা দোকান শর্ত সাপেক্ষে খোলা রয়েছে।  




No comments