Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

পশ্চিম মেদিনীপুরে দাবাং পুলিশ ! লকডাউন উপেক্ষা করলেই বেপরোয়া নাগরিকদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা (Video)



পার্থ খাঁড়া, নিউজবাংলা ডেস্ক : বেপরোয়া মানুষ। করোনা প্রতিরোধে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকার যতই চিন্তিত থাকুক না কেন, কিই বা এসে যায় সাধারণ মানুষদের মধ্যে। তাই তো জনতা কার্ফু বা লকডাউনকে থোড়াই পরোয়া করছেন তাঁরা। এ যেন একাংশ মানুষের কাছে উৎসবের মেজাজ তৈরি করেছে।

না চাওয়া ছুটি উপভোগ করতে বহু মানুষে বেপরোয়া ভাবে বেরিয়ে পড়েছেন শহরের রাস্তায়। এমনই অবাধ্য নাগরিকদের লাঠির বাড়ি দিয়ে লকডাউনের মানে বোঝাতে ময়দানে নেমেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পুলিশ।



মেদিনীপুরের শহরের যেখানেই অকারণ জটলা করছেন এলাকাবাসীরা, যেখানে অকারনে খুলে রাখা হয়েছে দোকান বাজার, সেখানেই ছুটে যাচ্ছেন কর্তব্যরত পুলিশের জওয়ানরা। মোটরবাইক, সাইকেল, টোটো চালক সবাইকেই ধরে বাজারে ঘোরার কারন জানা হচ্ছে।

গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছাড়া কেউ ঘুরছে বুঝতে পারলেই তাঁকে লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করছে পুলিশ। কখনও সখনও লাঠির বাড়িও পড়ছে একাংশ নাগরিকদের পেছনে। আশ্চর্যের বিষয় হল রবিবার জনতা কার্ফ্যুর দিন ৭০০টাকা কিলো চর্বি বাদ দেওয়া খাসির মাংস কিনতে লম্বা লাইন দিয়েছিলেন মেদিনীপুর শহরবাসীর একাংশ।

দেখুন ভিডিওটি-
 

আর সোমবার বিকাল ৫টার থেকে লকডাউন ঘোষনার পরেও মেদিনীপুর শহরে দোকান বাজার খুলে রেখে জম জমাটি বাজারে নামতে দেখা গেল মেদিনীপুর বাসীদেরকে। শহরের বাসিন্দা শিক্ষক, অধ্যাপক, চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার, উচ্চপদস্থ অধিকারিকেরা কেউই বাদ যাননি এই বেপরোয়া মানুষদের তালিকা থেকে।



এই বেপরোয়া মানুষদের নিয়ন্ত্রণ করতে বাধ্য হয়েই পথে নামে কোতয়ালী থানার পুলিশ৷ শহরের বটতলা চক এলাকা থেকে শুরু করে গোলকুয়া, কেরানীতলা, পরে স্কুলবাজার সহ বিভিন্ন এলাকায় হানা দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে সকলকে৷




ওষুধের দোকান, মুদি দোকান ছাড়া অন্যান্য দোকান, রেষ্টুরেন্টগুলি বন্ধ করতে বাধ্য করা হয়েছে৷ কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে মঙ্গলবার লকডাউন ভাঙলে ঠাঁই হবে শ্রী ঘরে। পাশাপাশি ঘাটাল, বেলদা, খড়গপুর শহর এলাকায় লকডাউন এর পর থেকে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে গতকাল রাত থেকেই চলছে করোনা সচেতনতা প্রচার ও প্রশাসনিক নির্দেশ অমান্য করলে আগামী দিনে জেলে যাওয়ার ও নিদান দেওয়া হচ্ছে।






No comments