Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

উপনির্বাচন ২০১৯ : খড়্গপুরে ইস্তেহার প্রকাশ করে ঘরে ঘরে উন্নয়নের বার্তা তৃণমূলের !



পার্থ খাঁড়া, নিউজবাংলা ডেস্ক : খড়্গপুর বিধানসভা কেন্দ্রে মানুষের আস্থা ফিরে পেতে নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের দাবী, তাঁরা প্রতিটি মানুষের কাছে উন্নয়ন পৌঁছে দেওয়ার জন্য ব্রতী হয়েছে। কিন্তু শাসক দলের বিধায়ক না থাকার সুযোগ নিয়ে রেল যেভাবে পুরসভাকে একের পর এক বাধা দিচ্ছে তা কাটিয়ে উঠতেই উন্নয়নমুখী বিধায়ক চাইছেন খড়্গপুরের মানুষ| যিনি তাঁদের কাজ করবেন|  

বৃহস্পতিবার দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে দলের তরফে ইস্তেহার প্রকাশ করে এই বার্তাই দিলেন তৃণমূলের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পর্যবেক্ষক ও রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী| এদিন বিকেলে প্রার্থীকে নিয়ে পায়ে হেঁটে মালঞ্চ, খরিদা, নিমপুরা, জয়হিন্দ নগর প্রচার সারেন তিনি|



পথ চলতি মানুষনজকে তৃণমূল প্রার্থীকে জয়ী করে বিধানসভায় পাঠিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির উন্নয়ন মূলক কর্মসূচিকে আরও প্রসারিত করার আবেদন জানান| এদিন বহু তৃণমূল কর্মী সমর্থক পরিবহণ মন্ত্রীর মিছিলে পা মেলান| ৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে চলা এই মিছিল যতই এগিয়েছে ততই মানুষের সংখ্যা বেড়েছে|

প্রসঙ্গতঃ খড়্গপুরের ৮ টি ওর্য়াড-এর বেশ কিছুটা করে অংশ রেলের অধীনে| এর ফলে রেল সেসব এলাকায় বসবাসকারী মানুষজনের জন্য খড়্গপুর পুরসভাকে উন্নয়ন করতে বাধা দিয়ে আসছে বলে অভিযোগ| টানা ৫০ বছর খড়্গপুরের বিধায়ক ছিলেন প্রয়াত কংগ্রেস নেতা জ্ঞানসিং সোহানপাল|

২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে হারিয়ে বিধায়ক হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ| ৩ বছর বিধায়ক থাকাকালীন তিনি কোনো উন্নয়নমূলক কাজই করেননি বলে দাবী তৃণমূলের| তাঁর বিধায়ক তহবিলের টাকাও অর্ধেক খরচ করতে পারেননি| এর মধ্যেই এসে পড়ে লোকসভা নির্বাচন| তিনি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে মেদিনীপুর লোকসভার প্রার্থী হন এবং জয়ী হন|

তৃণমূলের আরও অভিযোগ, দিলীপ বাবু বিধায়ক ও সাংসদ হিসেবে বরাবরই তৃণমূল পরিচালিত খড়্গপুর পুরসভার সঙ্গে অসহযোগিতা করে এসেছেন| রেলকে দিয়ে উন্নয়ন কাজে বাধার সৃষ্টি করেছেন| ৮টি রেল বস্তি এলাকায় ৫৩৪২টি পরিবারে শৌচাগার নির্মাণের জন্য 'মিশন নির্মল বাংলা' প্রকল্পে খড়্গপুর পুরসভা ৪ কোটি টাকা পেয়েছিল|



এবছরের সেপ্টেম্বরে কাজ শুরুর কথা ছিল| টেন্ডারও হয়ে গিয়েছিল| রেল সেই কাজ করতে দেয়নি| দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ ও পানীয় জলের লাইন নিয়ে যেতে দেওয়া হয়নি| রেলের সঙ্গে সংঘাতে গিয়ে পুরপ্রধান প্রদীপ সরকার একপ্রকার জোর করেই মানুষের নূন্যতম মৌলিক চাহিদা পূরণ করেছিলেন| 

বৃহস্পতিবার খড়্গপুরে ইস্তেহার প্রকাশ করে শুভেন্দু জানান, 'বিজেপি বিভেদের রাজনীতি করে| রামের সঙ্গে রহিমের সংঘাত বাধানোর রাজনীতি করে| সমাজকে পিছিয়ে নিয়ে যাওয়ার রাজনীতি করে| আর তৃণমূল শুধুই মানুষের জন্য উন্নয়নের রাজনীতি করে| মানুষের উন্নয়নের কথা ভাবে| '




উপনির্বাচনকে পাখির চোখ করে ইতিমধ্যেই বাড়ি বাড়ি প্রচার, বুথসভা, মিছিল করে প্রচারে বেশ কয়েক কদম এগিয়ে গেছেন তৃণমূল প্রার্থী প্রদীপ সরকার| ২০১৫ সাল থেকে তিনি খড়্গপুর পুরসভার পুরপ্রধান রয়েছেন প্রদীপ সরকার|




No comments