Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

উস্থির ১৪ অনশনকারীর প্রাণ সংশয়, ইউরিনে মিলল কিটোনবডি, চিকিৎসকদের পরামর্শে শুরু হচ্ছে রিলে অনশন !



নিউজবাংলা ডেস্ক : প্রাণ সংশয়ে উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারী টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশান-এর ১৪ অনশনকারীর। গত শনিবার থেকে টানা ১০ দিন অনশন করার জেরে ১৭ জনের মধ্যে অধিকাংশের শারীরিক অবস্থা বিপজ্জনক হয়ে গিয়েছে। দ্রুত চিকিৎসা শুরু না হলে ওই অনশনকারীদের স্থায়ী ভাবে শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।



সোমবার মেডিক্যাল টিম অনশনকারীদের শরীর থেকে নেওয়া ইউরিনের নমুমা পরীক্ষার পর চূড়ান্ত উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছেন তাঁরা। মেডিক্যাল টিমের চিকিৎসক ডঃ পূর্ণব্রত কুন্ডু জানিয়েছেন, ১৪ জন অনশনকারীর ইউরিনে কিটোনবডি পাওয়া গিয়েছে। এর অর্থ হল, শরীরের মাংসপেশী ভেঙে শক্তি উৎপাদন হচ্ছে।



ওই ১৪ জনের দ্রুত চিকিৎসা শুরু না হলে, তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা না হলে চিরস্থায়ী শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে চিকিৎসক জানিয়েছেন। তিনি আরও জানান, এর মধ্যে আবার একজনের আবার ইউরিনে রক্ত মিলেছে। এর অর্থ তাঁর কিডনী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি জানান, এই ১৪ জন অনশনকারী হলেন, উস্থির রাজ্য সম্পাদিকা পৃথা বিশ্বাস, রাজীব মন্ডল, মনীশ কুমার মন্ডল, সুচিত্রা মাজী, মাধাই চন্দ্র মন্ডল, পারমিতা বড়ুয়া, দেবাশিষ বাড়ই, পীযূষ কান্তি দাস, পিন্টু মোদক, দীপক কুমার বর্মণ, অপূর্ব জানা, অপরাজিতা সেন, কৌস্তভ চ্যাটার্জী এবং আনন্দ দাস।




চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনেই আগামী কাল সকাল ৮টায় এই ১৪ অনশনকারীকেই হাসপাতালে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে উস্থির নেতৃত্বরা। সংগঠনের রাজ্য সভাপতি সন্দীপ ঘোষ জানান, এমনিতেই ১৪ জনের অনৈতিক বদলী নিয়ে তাঁরা আন্দোলন চালাচ্ছেন। এবার কারও প্রাণ সংশয় হলে তা সংগঠনের অপূরণীয় ক্ষতি।

তাই আগামী কাল থেকে নতুন করে ১৪ জোন রিলে অনশনে যোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এত অসুস্থতার মধ্যে পৃথা বিশ্বাসের আক্ষেপ এমন অমানবিক রাজ্য সরকার তাঁরা আগে কখনও দেখেননি।



অন্যদিকে সন্দীপ ঘোষ জানিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রী শনিবারও তাঁদের ডেকে অনশন আন্দোলন তুলে নেওয়ার জন্য বলেছিলেন। তিনি কথা দিয়েছিলেন সোমবার তিনি ১৪ শিক্ষককে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু করে দেবেন। অথচ আজ দফতরে গিয়ে তাঁরা জেনেছেন, এমন কোনও প্রক্রিয়া শুরুই হয়নি। এভাবে তাঁদের বারেবারে মিথ্যে আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে কেন সে প্রশ্নও তুলেছেন তাঁরা।




সেই সঙ্গে সন্দীপবাবুর আরও দাবী, তাঁরা কোনওদিনই মাদ্রাসা শিক্ষকদের সমান বেতনের দাবী জানাননি। অথচ শিক্ষামন্ত্রী তাঁদের ওপর এমন দাবী চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ তুলেছেন তিনি। 



  ------- বিজ্ঞাপন -------

  ------- বিজ্ঞাপন -------

 ------- বিজ্ঞাপন -------

No comments