Page Nav

HIDE

Post/Page

Weather Location

Breaking !

latest

স্যাটের আদালতে বহু প্রতিক্ষিত ডিএ মামলার রায়দান আজ, কোন দিকে পাল্লা ভারী চলছে জোরদার জল্পনা !

নিউজবাংলা ডেস্ক : রাজ্য সরকার নাকি রাজ্যের লক্ষ লক্ষ সরকারী কর্মচারীরা। আজ স্যাট-এর আদালতের রায়দানে কার দিকে পাল্লা ভারী হবে তা নিয়েই শুরু হয়েছে জোরদার জল্পনা। শুক্রবার বেলা ১টায় স্যাট-এর আদালতে বহু প্রতিক্ষিত ডিএ মামলার রায়দান হ…


নিউজবাংলা ডেস্ক : রাজ্য সরকার নাকি রাজ্যের লক্ষ লক্ষ সরকারী কর্মচারীরা। আজ স্যাট-এর আদালতের রায়দানে কার দিকে পাল্লা ভারী হবে তা নিয়েই শুরু হয়েছে জোরদার জল্পনা। শুক্রবার বেলা ১টায় স্যাট-এর আদালতে বহু প্রতিক্ষিত ডিএ মামলার রায়দান হতে চলেছে বলে জানা গেছে।

২০১৬ থেকে শুরু হয়েছিল আইনী লড়াই। রাজ্য সরকারী কর্মচারীদের দাবী ডিএ দিতে হবে কেন্দ্রীয় হারে। সেই সঙ্গে দূর করতে হবে দিল্লী ও চেন্নাইয়ে কর্মরত রাজ্যসরকারী কর্মীদের সঙ্গে গোটা রাজ্যের সরকারী কর্মীদের ডিএ বৈষম্যও। কিন্তু রাজ্য সরকার তাতে মোটেও রাজি নয়। উল্টে ডিএ'র দাবীতে আন্দোলনরত সরকারী কর্মীরা "ঘেউ ঘেউ" করছে বলে কটুক্তি ছুঁড়ে দেয় রাজ্য সরকার।




তবে নাছোড় সরকারী কর্মীদের বেশ কয়েকটি সংগঠন দীর্ঘ আইনী লড়াই চালিয়েছেন কেন্দ্রীয় হারে ডিএ'র দাবীতে। অবশেষে শুক্রবার বেলা ১টা নাগাদ ডিএ মামলার রায়দান হতে চলেছে স্যাটের আদালতে, এমনটাই জানিয়েছেন মামলাকারী সংগঠন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ(INTUC)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুবীর সাহা।



এর আগে গত ১৮ জুন এই মামলার শেষ হেয়ারিং হয়েছে বলে জানান তিনি। তাঁর মতে, আজ মূলতঃ স্যাটের বিচারকরা দুটি বিষয়ে আলোকপাত করবেন। প্রসঙ্গতঃ প্রথমবার স্যাটের আদালতে মামলা করার পর বিচারপতিরা জানিয়ে দেন, ডিএ দেওয়াটা রাজ্য সরকারের মর্জির ওপরেই নির্ভর করে। এরপরেই মামলাকারীরা কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। ২০১৮ সালে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়ে জানায়, ডিএ রাজ্য সরকারী কর্মীদের অধিকার।

এটা কোনও দয়ার দান নয়। তবে ডিএ'র হার কনজিউমার প্রাইস ইন্ডেক্স (CPI) অনুযায়ী হবে কিনা নাকি রাজ্যের কোনও হারে ডিএ পাবেন, এবং দিল্লী ও চেন্নাইয়ে কর্মরত এই রাজ্যের সরকারী কর্মীরা যে CPI-এর হারে ডিএ পাচ্ছেন সেটা সঠিক কিনা জাস্টিফাই করতে স্যাট-এর আদালতে মামলা পাঠিয়ে দেয় হাইকোর্ট।

এরপর স্যাট-এর বিচারকদের সামনে বারে বারে রাজ্য সরকারের তরফে আইনজীবিরা কোষাগারে টাকা নেই বলে জানায়। উল্টোদিকে মামলাকারীদের পক্ষ্যের আইনজীবিরা বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরে জানায়, সরকার কিভাবে সরকারী কর্মচারীদের বঞ্চিত করে রাজ্য সরকার খেলা, মেলা, পুজো সহ বিভিন্ন প্রকল্পে কোটি কোটি টাকা বিলোচ্ছে। তাছাড়া জিএসটি চালু হওয়ার পর থেকে রাজ্যের আয় বহু অংশে বেড়েছে বলেও বিভিন্ন পরিসংখ্যানে প্রকাশ পাচ্ছে।




দুই পক্ষ্যের সওয়াল জবাব শেষ হওয়ার পর আজ বেলা ১টার সময় মামলার রায়দান হচ্ছে। এই রায়দান ঘিরে যথেষ্ট আশাবাদী মামলাকারী সংগঠন সহ রাজ্য সরকারী কর্মীরাও। সুবীর সাহা'র মতে, আজকের রায়দান সরকারী কর্মচারীদের পক্ষে যাচ্ছে বলেই আশাবাদী তাঁরা।

ডিএ নিয়ে মামলাকারী অপর একটি রাজ্য সরকারী সংগঠন সরকারী কর্মচারী পরিষদের আহ্বায়ক দেবাশীষ শীল জানিয়েছেন, তাঁদের করা মামলার রায়দান আগামী কয়েকদিন বাদেই রয়েছে।  তবে আজকের মামলার রায়দানও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।  যার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন রাজ্যের লক্ষ লক্ষ সরকারী কর্মচারীরা। সরকারী কর্মচারীদের বঞ্চনার বিষয়টি আজকের রায়দানে গুরুত্ব পাবে বলেই আশাবাদী তিনি।


  ------- বিজ্ঞাপন -------

  ------- বিজ্ঞাপন -------

 ------- বিজ্ঞাপন -------

No comments